সপ্তাহের শুরুতে অর্থাৎ সোমবার কাকভোরে আগুন গ্রাস করেছিল তারাপীঠের হোটেলকে। ঠিক দু'দিনের ব্যবধানে নিউ মার্কেটের হোটেলেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। দুটি ক্ষেত্রেই মোট ১৮ জনের মৃত্যু হয়। একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের পরেই প্রশ্নের মুখে হোটেলগুলির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রশ্নের মুখে পর্যটকদের সুরক্ষাও। যদিও পর পর দুই অগ্নিকাণ্ডের পরেই নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ প্রশাসন। পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে হোটেলগুলির নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হচ্ছে। শুরু হয়েছে অডিট। এবার জেলা প্রশাসনের নজরে দিঘার হোটেলগুলির নিরাপত্তা। আর সেই লক্ষ্যেই শনিবার দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদে হোটেল ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠক করেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। যেখানে সৈকত শহর দিঘাতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।
শনি-রবি হোক কিংবা, লম্বা ছুটি! বাঙালিদের বেড়াতে যাওয়ার তালিকায় সবসময় থাকে দিঘা কিংবা মন্দারমণি। শুধু রাজ্য থেকে নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা সেখানে বেড়াতে যান। ফলত পর্যটকদের সুরক্ষা প্রশাসনের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিস্থিতি জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে হোটেল ব্যবসায়ীদের বৈঠক হয়। জানা গিয়েছে, বৈঠকে হোটেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, লিফটের মেরামতি এবং বিদ্যুতের লাইনের নিয়মিত নজরদারি রাখার বিষয়ে হোটেল মালিকদের একগুচ্ছ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুধু তাই নয়, ফায়ার লাইসেন্স সমস্ত হোটেলের রয়েছে কী না সেবিষয়েও খোঁজ খবর নেওয়া হয়। সেইসঙ্গে হোটেলের ছাদে বৃষ্টির জল সংরক্ষণের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। হঠাৎ যদি আগুন লাগে দ্রুত যাতে নেভানো সম্ভব হয় সেই কারণেই এহেন সিদ্ধান্ত জেলা প্রশাসনের। শনিবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদে প্রশাসনিক আধিকারিক ও হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী,জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার,বিধায়ক ড.চন্দ্রশেখর মণ্ডল প্রমুখ।
