shono
Advertisement

Breaking News

Bidhan Chandra Roy

মুখ্যমন্ত্রিত্বের সময়সারণি: বিধানচন্দ্র রায়

‘পশ্চিমবঙ্গের রূপকার’ বলা হয় বিধানচন্দ্র রায়কে। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে প্রভূত উন্নতির মুখ দেখেছিল পশ্চিমবঙ্গ। দুর্গাপুর, সল্টলেক (তাঁর মৃত্যু-পরবর্তী সময়ে নামকরণ হয় বিধাননগর), কল্যাণী, অশোকনগর-কল্যাণগড়ের রূপায়ণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 03:41 PM Feb 11, 2026Updated: 04:42 PM Feb 11, 2026

বঙ্গীয় প্রাদেশিক সরকারের প্রধানকে ‘প্রধানমন্ত্রী’র বদলে বলা হবে ‘মুখ্যমন্ত্রী’–সরকারিভাবে এই পরিবর্তন চূড়ান্ত হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে যোগ দেন বিধানচন্দ্র রায় (Bidhan Chandra Roy)। মৃত্যুবধি এই পদেই বহাল ছিলেন তিনি।

Advertisement

বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম পাটনার ঝাঁকিপুরে। ছেলেবেলা থেকেই উজ্জ্বল ছাত্র। ১৯১১ সালে ইংল্যান্ড থেকে ‘এমআরসিপি’ ও ‘এসআরসিএস’ ডিগ্রি অর্জন করেন। বাংলায় ফিরে কলকাতার ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল স্কুলে (যা বর্তমানে ‘নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ’ নামে পরিচিত) শিক্ষক-চিকিৎসক হিসেবে যোগ দেন। যথেষ্ট সুনামও অর্জন করেন তাঁর কাজের জন্য।

পরবর্তীকালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেট সদস্য, ‘রয়্যাল সোসাইটি অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড হাইজিন’ এবং ‘আমেরিকান সোসাইটি অফ চেস্ট ফিজিশিয়ান্স্‌’-এর ফেলো নির্বাচিত হন বিধানচন্দ্র রায়।

মহাত্মা গান্ধীর ডাকে, ১৯৩১ সালে যোগ দিয়েছিলেন আইন অমান্য আন্দোলনে। ফলস্বরূপ কারাবন্দিও হতে হয়েছিল তাঁকে। ১৯৪২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে মনোনীত হন। ১৯৪৭-এ নির্বাচিত হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে। 

মহাত্মা গান্ধীর ডাকে, ১৯৩১ সালে যোগ দিয়েছিলেন আইন অমান্য আন্দোলনে। ফলস্বরূপ কারাবন্দিও হতে হয়েছিল তাঁকে। ১৯৪২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে মনোনীত হন। ১৯৪৭-এ নির্বাচিত হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে। 

অতঃপর, ১৯৪৮ সালে গ্রহণ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদের দায়িত্ব। 

‘পশ্চিমবঙ্গের রূপকার’ বলা হয় বিধানচন্দ্র রায়কে। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে প্রভূত উন্নতির মুখ দেখেছিল পশ্চিমবঙ্গ। দুর্গাপুর, সল্টলেক (তাঁর মৃত্যু-পরবর্তী সময়ে নামকরণ হয় বিধাননগর), কল্যাণী, অশোকনগর-কল্যাণগড়ের রূপায়ণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।

১৯৬১ সালে ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করা হয় তাঁকে। তাঁর জন্ম ও মৃত্যুদিন – দুই-ই– ১ জুলাই। এই দিনটি ‘জাতীয় চিকিৎসক দিবস’ হিসেবে পালন হয় ভারত জুড়ে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement