মাদকের হোম ডেলিভারি! এক ফোনে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে নিষিদ্ধ মাদক! তাও আবার কিনা সবার নজর এড়িয়েই। শুক্রবার রাতে বারো হাজার নেশার ট্যাবলেট-সহ একটি টোটো আটক করে পুলিশ। যুক্ত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয় দুই যুবককে। ধৃতদের জেরা করে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে পুলিশের হাতে। যা রীতিমতো পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। অন্যদিকে খড়িবাড়িতে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ ব্রাউন সুগার। এছাড়াও কোচবিহার থেকে শিলিগুড়িতে পাচারের পথে ৪০ লক্ষ টাকার গাঁজা মিলেছে।
শিলিগুড়ি মহকুমা জুড়ে জাঁকিয়ে বসেছে মাদকের রমরমা কারবার। কি নেই! ব্রাউন সুগার, কোকেন, গাঁজা অথবা ট্যাবলেট সবই মিলে যাচ্ছে সহজে। নিষিদ্ধ মাদক কারবারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারও হয়েছে। ওই পর্যন্ত ঠিক আছে। তাই বলে মাদকের হোম ডেলিভারি? এতদিন আলোচনায় শোনা গিয়েছে। এবার বাস্তবে যে সেটা বেশ ভালোভাবেই চলছে শুক্রবার পুলিশ কর্তারা টের পেলেন! জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে পুরনো এসজেডিএ দপ্তরের কাছে ফাঁকা জায়গায় অভিযান চালিয়ে ১২ হাজার নিষিদ্ধ নেশার ট্যাবলেট উদ্ধার হয়। বমাল গ্রেপ্তার করা হয় ২ যুবককে। ধৃতদের নাম সুদেশ রজক এবং সুদীপ্ত পণ্ডিত। দু'জনই শিলিগুড়ি শহরের প্রধাননগর এলাকার বাসিন্দা। তাদের জেরা করতে পুলিশ কর্তাদের মাথায় হাত।
শিলিগুড়ি মহকুমা জুড়ে জাঁকিয়ে বসেছে মাদকের রমরমা কারবার। কি নেই! ব্রাউন সুগার, কোকেন, গাঁজা অথবা ট্যাবলেট সবই মিলে যাচ্ছে সহজে। নিষিদ্ধ মাদক কারবারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারও হয়েছে। ওই পর্যন্ত ঠিক আছে। তাই বলে মাদকের হোম ডেলিভারি?
জানা যায়, ধৃতরা খদ্দেরের ফোন পেয়ে টোটোতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় নেশার ট্যাবলেট ডেলিভারি করতো। উদ্ধার হওয়া ট্যাবলেটের বাজার মূল্য লক্ষাধিক টাকা। ধৃতদের শনিবার শিলিগুড়ি আদালতে পেশ করা হয়েছে। একই রাতে খড়িবাড়িতে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২০৩ গ্রাম ব্রাউন সুগার। নেপাল থেকে ওই মাদক শিলিগুড়ি মহকুমার মেচি নদী সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছেছে বলে পুলিশের অনুমান। এছাড়াও কোচবিহার থেকে শিলিগুড়িতে পাচারের পথে ৪০ লক্ষ টাকার গাঁজা উদ্ধার করেছে এসটিএফ।
জানা গিয়েছে, ফুলবাড়ির জটিয়াকালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি লরি থেকে প্রায় দুশো কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়। ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছে তিনজন। পুলিশ জানায়, ধৃতদের নাম বাবুল হুসেন, রাহুল ইসলাম এবং সাদ্দাম হুসেন। তিনজনই কোচবিহারের বাসিন্দা। এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহার থেকে একটি মালবাহী লরিতে গাঁজা শিলিগুড়িতে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হচ্ছিল। লরি থেকে প্রায় ১৩ বস্তা গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া গাঁজার ওজন দুশো কেজি।যার বাজার মূল্য ৪০ লক্ষ টাকা। ধৃতদের শনিবার জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হয়েছে।
