এবার ডিম হামলার শিকার ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের বিধায়ক তথা বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ (Kajal Sheikh)! তবে সরাসরি তাঁকে ডিম ছোড়া হয়নি। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের বিরুদ্ধে। কাজল শেখের গাড়ি ডিমে মাখামাখি হয়ে যায়। নিশানায় শুধু হাসনের বিধায়ক কাজল শেখই নন, ছিলেন নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাঝিও। ডিম হামলাকারীদের 'সমাজবিরোধী' বলে চিহ্নিত করে কাজল শেখের বক্তব্য, ‘‘এটা বাংলার কৃষ্টি-কালচার নয়। পুলিশের কাছে অনুরোধ, যারা এমনটা করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।''
এনিয়ে কাজল শেখ বলেন, ‘‘আমি এখানকার জনপ্রতিনিধি। তা হওয়ার আগেও বরাবর নানুর দিবসে এখানে এসে শহিদদের শ্রদ্ধা জানাই। আজও এসেছি। তবে আমি এখানে পৌঁছনোর পর আমার গাড়ি লক্ষ্য করে কতিপয় সমাজবিরোধী ডিম ছুড়েছে। পুলিশকে অনেক ধন্যবাদ যে পরিস্থিতি খুব ভালোভাবে সামলেছে। যারা এই কাজ করেছে, তাদের আমি বলতে চাই, এটা বাংলার কৃষ্টি-কালচার নয়। তাদের কঠোরতম শাস্তি হবে, পুলিশের কাছে সেই দাবি জানাই।''
আজ অর্থাৎ ২৭ জুলাই নানুর দিবস। ২০০০ সালের এই দিনে নানুরের সূচপুর গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসর সমর্থক ১১ জন খেতমজুর খুন হন। তৎকালীন বাম সরকারকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী করা হয়। প্রতি বছরই এই অভিশপ্ত দিনটিকে নানুর দিবস হিসেবে পালন করে থাকে ঘাসফুল শিবির। বাসাপাড়ায় ১১জন শহিদের নামে তৈরি বেদিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
নানুর দিবসে শহিদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি তৃণমূল বিধায়ক কাজল শেখ, নিজস্ব ছবি
এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। নানুর, হাসনের বিধায়ক ও স্থানীয় তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ ওই শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানাতে যান। অভিযোগ, সেসময় কাজল শেখ ও বিধানচন্দ্র মাঝির গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ে বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। ওঠে 'চোর' স্লোগানও। যদিও ডিম বিধায়কদের গায়ে লাগেনি, তাঁরা সেসময় মঞ্চে পৌঁছে গিয়েছিলেন। তবে কাজল শেখের গাড়িটি ডিমে মাখামাখি হয়ে গিয়েছে।
এনিয়ে কাজল শেখ বলেন, ‘‘আমি এখানকার জনপ্রতিনিধি। তা হওয়ার আগেও বরাবর নানুর দিবসে এখানে এসে শহিদদের শ্রদ্ধা জানাই। আজও এসেছি। তবে আমি এখানে পৌঁছনোর পর আমার গাড়ি লক্ষ্য করে কতিপয় সমাজবিরোধী ডিম ছুড়েছে। পুলিশকে অনেক ধন্যবাদ যে পরিস্থিতি খুব ভালোভাবে সামলেছে। যারা এই কাজ করেছে, তাদের আমি বলতে চাই, এটা বাংলার কৃষ্টি-কালচার নয়। তাদের কঠোরতম শাস্তি হবে, পুলিশের কাছে সেই দাবি জানাই।'' কে বা কারা এই হামলা চালাল, সে বিষয়ে এখনও পুলিশ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
