shono
Advertisement
Dankuni

SIR শুনানিতে ৪ বার ডাক! কাগজ জমা দিয়েও ‘নাম বাদ পড়ার আতঙ্কে’ ডানকুনিতে মৃত্যু বৃদ্ধের

SIR: রাজ্যে বহু সাধারণ মানুষের মৃত্যুর কারণ হিসেবে এসআইআর আতঙ্কের অভিযোগ উঠেছে। এবার ডানকুনিতে বৃদ্ধের মৃত্যুতেও সেই একই অভিযোগ উঠল।
Published By: Suhrid DasPosted: 05:35 PM Feb 16, 2026Updated: 06:30 PM Feb 16, 2026

রাজ্যে এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন সময়। এবার সেই তালিকায় যোগ হল হুগলির ডানকুনি। এসআইআর আতঙ্কে এবার মৃত্যু হল এক বৃদ্ধের। মৃতের নাম শেখ আনোয়ার। ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

Advertisement

রাজ্যে এসআইআর শুনানি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে। শুনানির নামে সাধারণ মানুষ হেনস্থার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ। এই অবস্থায় গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলায় শুনানি শেষও হয়েছে। তবে আতঙ্কের আবহ এখনও কাটেনি সাধারণ বাসিন্দাদের একাংশের মধ্যে।  কাগজপত্র জমা দিলেও ‘নাম বাদ পড়ার আতঙ্কে’ হুগলির ডানকুনিতে মৃত্যু হল বৃদ্ধের। আজ, সোমবার সকালে ওই ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন।

সম্প্রতি তাঁর কাছে নোটিস এসেছিল নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। এলাকার পাঁচজনের সই নিয়ে নথি জমা দেওয়ার কথা জানানো হয়। সেসব জোগাড়ও করা হয়েছিল বলে খবর।

জানা গিয়েছে, এসআইআর শুনানিতে ডাক পড়েছিল ৬৯ বছরের বৃদ্ধ শেখ আনোয়ারের। ডানকুনি পুরসভার ২০নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তিনি। একবার নয়, পরপর ৪ বার তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল! প্রতিবারই তিনি শুনানিতে কাগজপত্র নিয়ে গিয়েছিলেন। প্রতিবার শুনানির পরও ফের সংশয় প্রকাশিত হয়েছিল। নতুন তথ্য চেয়ে শুনানিতে ডাক আসত বলে খবর! বেশ কিছুদিন আগে তাঁর কাছে নোটিস এসেছিল নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। এলাকার পাঁচজনের সই নিয়ে নথি জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। সেসব জোগাড়ও করা হয়েছিল বলে খবর। কাগজপত্র জমা দেওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হল।

ওই এলাকায় তাঁর একটি ছোট্ট দোকান আছে। গতকাল রাতে তিনি দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরেছিলেন। কাগজপত্র ঠিকঠাক জমা দেওয়া হল কিনা, সেই খোঁজও রাতে তাঁর থেকে নিয়েছিলেন প্রতিবেশীরা। সম্মতিতে মাথা নেড়েছিলেন শেখ আনোয়ার। এরপর এদিন সকালেই তাঁর অকস্মাৎ মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, এসআইআর শুনানিতে বারবার ডাক পাওয়ায় তিনি দুশ্চিন্তায় ছিলেন। ওই আতঙ্কেই বৃদ্ধ মারা গিয়েছেন বলে অভিযোগ।

ঘটনা জানাজানি হতে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, এই মৃত্যুর জন্য দায়ী নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি। বিজেপির কথা শুনে কমিশন কাজ করছে। যদিও বিজেপির তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement