shono
Advertisement
Visva Bharati University

বিশ্বভারতীর ইংরাজি বিভাগে অধ্যাপক নিয়োগে 'দুর্নীতি', বিস্ফোরক দাবি চাকরিপ্রার্থীদের

ফের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। এবার ইংরাজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠল। এই বিষয়ে সরব হয়েছেন আবেদনকারীরা।
Published By: Suhrid DasPosted: 09:08 PM Mar 13, 2026Updated: 09:08 PM Mar 13, 2026

ফের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। এবার ইংরাজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠল। এই বিষয়ে সরব হয়েছেন আবেদনকারীরা। শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মঞ্জুরি কমিশনকে এই বিষয়ে জানানো হয়েছে বলেও খবর।

Advertisement

এর আগে বাংলা, ইতিহাস বিভাগে অধ্যাপক নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ইংরাজি বিভাগের দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। এবার ভাষা ভবনের ইংরাজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ। একাধিক আবেদনকারীর দাবি,"নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি। স্ক্রিনিং রিপোর্ট ঘিরেই বিতর্ক। কপি জমা দিয়েও ইন্টারভিউয়ে ডাক মিলছে না বলে অভিযোগ।

একাধিক আবেদনকারীর দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি। তাঁরা ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক, কেন্দ্রীয় মঞ্জুরি কমিশন দপ্তরে ইমেল করে অভিযোগ জানানো হয়েছে। অভিযোগ, গত বছরের ২৭ মে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। ভাষা ভবন, বিদ্যাভবন ও শিক্ষাভবন-সহ একাধিক ভবনে অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য আবেদনের কথা বলা হয়। ইতিমধ্যেই কয়েকটি বিভাগের ইন্টারভিউয়ের প্রাথমিক তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভাষা ভবনের ইংরাজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অসংরক্ষিত পদে নিয়োগে আপত্তি উঠেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মোট ৬০জন আবেদনকারীর মধ্যে মাত্র ১২ জনকে ইন্টারভিউয়ে ডেকেছে! তবে ইংরাজি বিভাগে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। একই অভিযোগ তুলেছেন মালদার মানিকচক কলেজের সহকারী অধ্যাপক দেবাদিত্য মুখোপাধ্যায়। তাঁর দাবি," ইউজিসির নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী অধ্যাপক পদে আবেদন করার জন্য তাঁর প্রয়োজনীয় সব যোগ্যতাই রয়েছে। তবুও তাঁকে ইন্টারভিউয়ে ডাকা হয়নি।"

বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বলেন, "এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে সবচেয়ে বেশি অস্বচ্ছতা ছিল। আমার সময়কালের সম্পূর্ণ কড়া প্রশাসনিক দক্ষতায় বন্ধ করা হয়। পাঁচবছর এজেন্সি দিয়ে স্বচ্ছভাবে প্রায় ৪০০ জনের নিয়োগও হয়েছে। তবে বিশ্বভারতীর মতো প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ কখনওই কাম্য নয়।" অভিযোগের বিষয় মানতে চাননি বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ। তিনি বলেন, “ইউজিসির নিয়ম মেনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। এই ধরনের অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই।”

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement