shono
Advertisement
Osman Hadi

হাদি খুনের পর আততায়ীদের সীমান্ত পেরতে সাহায্য, এবার এসটিএফের জালে সেই 'দালাল'

ধৃত ফয়সাল, আলমগিরকে জেরায় উঠে আসে ফিলিপ সাংমা নামে এই দালালের তথ্য। শনিবার শান্তিপুর বাইপাস থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 06:35 PM Mar 14, 2026Updated: 07:55 PM Mar 14, 2026

বাংলাদেশের ছাত্রনেতা ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে রাজ্য পুলিশের এসটিএফের জালে আরও এক। খুনের পর আততায়ীদের সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে গা ঢাকা দিতে সাহায্য করে গ্রেপ্তার দালাল। ধৃত মেঘালয়ের বাসিন্দা ফিলিপ সাংমা আসলে বাংলাদেশি। শনিবার সকালে শান্তিপুর বাইপাস এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। সূত্রের খবর, জেরায় ফিলিপ স্বীকার করেছে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরতে সে সাহায্য করে থাকে। ফিলিপকে জেরা করে এই হত্যাকাণ্ডে আরও তথ্য পেতে মরিয়া তদন্তকারীরা।

Advertisement

ফিলিপ সাংমা আদতে বাংলাদেশের নাগরিক। মেঘালয়ে থাকে। টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের কাজ করে। সে-ই ফয়সাল এবং আলমগিরকে হালুয়াঘাট ও দলুপাড়ার মধ্যে সীমান্ত পার করিয়ে দিতে সাহায্য করেছিল। পরে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ইতিমধ্যেই এসটিএফের হাতে ধরা পড়ে যায়।

গত বছরের ডিসেম্বরে এক দুপুরে নমাজ পড়ে ফেরার পথে ঢাকার অদূরে পুরাতন কালভার্ট রোডে প্রকাশ্য গুলিতে খুন হন বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা তথা ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ ওসমান হাদি। তা নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ। ঘটনার তিনমাস পর পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় খুনিরা। গত সপ্তাহে বনগাঁ থেকে ফয়সাল করিম ও আলমগির হোসেন নামে দু'জনকে পাকড়াও করে এসটিএফ। তাদের জেরা করে জানা যায়, হাদিকে প্রকাশ্য রাস্তায় খুনের পরই তারা সীমান্ত পেরিয়ে মেঘালয় দিয়ে ভারতে ঢোকে। তারপর নানা জায়গা ঘুরে বনগাঁয় গা ঢাকা দেয়।

এই দু'জনকে ক্রমাগত জেরা করেই উঠে আসে ফিলিপ সাংমার নাম। সে আদতে বাংলাদেশের নাগরিক। মেঘালয়ে থাকে। টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের কাজ করে। সে-ই ফয়সাল এবং আলমগিরকে হালুয়াঘাট ও দলুপাড়ার মধ্যে সীমান্ত পার করিয়ে দিতে সাহায্য করেছিল। পরে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ইতিমধ্যেই এসটিএফের হাতে ধরা পড়ে যায়। প্রসঙ্গত, হাদি হত্যার পরপরই বাংলাদেশের তদন্তকারীরা অভিযোগ করেছিলেন, খুনিরা ভারতে পালিয়েছে। কিন্তু সেসময় সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিল দিল্লি। পরবর্তীতে বাংলা থেকেই হত্যায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। মনে করা হচ্ছে, এবার এই মামলার কিনারা দ্রুতই হয়ে যাবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement