পুরসভার ত্রাণসামগ্রী বাড়িতে রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন গোবরডাঙা পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুভাষ দত্ত। তাঁর গ্যারাজ থেকে ১০টি ত্রিপল ও ৮ থেকে ১০টি কম্বল উদ্ধার হয়েছে! মঙ্গলবার বারাসত আদালতে তোলা হলে তাঁকে চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। এ দিন তাঁকে আদালতে তোলার সময় বিজেপি কর্মীরাজড়ো হন। কয়েকজনের হাতে ডিমও ছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ সুভাষকে আদালতের পিছনের গেট দিয়ে নিয়ে যায়।
ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। সুভাষের বাড়িতে ত্রাণসামগ্রী থাকার অভিযোগে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। পরে পুলিশ গিয়ে সেগুলি উদ্ধার করে। গোবরডাঙা থানায় এনিয়ে অভিযোগও দায়ের হয়। তবে অভিযোগটি বিজেপি করেনি বলে দাবি দলের স্থানীয় নেতৃত্বের। গোবরডাঙা মণ্ডল সভাপতি আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বিজেপির কেউ ওনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেনি। ওনারই এক প্রতিবেশী অভিযোগ করেছেন।” অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুভাষের দাবি, ২০২২ সালে নির্দল কাউন্সিলর থাকাকালীন পাওয়া ত্রাণসামগ্রীই বাড়িতে ছিল। গত ১৫ জুলাই কাউন্সিলর পদে ইস্তফার পর হেড ক্লার্ক ও মেডিক্যাল অফিসারকে ফোন করে সেগুলি নিয়ে যেতে বলেছিলেন তিনি।
যদিও জেলা পুলিশ সুপার জে মার্সি বলেন, “সরকারি ত্রাণসামগ্রী মজুতের অভিযোগে সুভাষ দত্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উনি কাকে কী বলেছেন, সেটা আমার জানা নেই।” উল্লেখ্য, ২০১০ থেকে ২০২০ পর্যন্ত গোবরডাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন সুভাষ। পরের দু’বছর প্রশাসকের দায়িত্ব সামলান তিনি। ২০২২ সালে তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে নির্দল প্রার্থী হিসেবে কাউন্সিলর হন। তাঁর ভাই শংকর দত্ত চেয়ারম্যান হন।
