আইন অমান্য কর্মসূচিতে অশান্তি পাকানোর অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় এবার গ্রেপ্তার প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক। সোমবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। রাজনৈতিক বিরোধিতার জন্যই এই গ্রেপ্তারি বলে পালটা অভিযোগ উঠেছে।
জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ১০ তারিখে হুগলির চুঁচুড়া ঘড়ির মোড় এলাকায় বাম শ্রমিক সংগঠন সিটুর আইন অমান্য কর্মসূচি ছিল। জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে ওই কর্মসূচিতে জড়ো হয়েছিলেন। বিক্ষোভকারীরা যাতে জেলাশাসক দপ্তরে ঢুকতে না পারে, সেজন্য বিশাল সংখ্যায় পুলিশও মোতায়েন ছিল। ব্যারিকেড করা হয় গোটা এলাকায়। ওই দিন পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে জেলাশাসক দপ্তরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন বাম কর্মী-সমর্থকরা।
ঘড়ির মোড় এলাকায় প্রবল অশান্তি ছড়িয়েছিল। পুলিশ একসময় বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জ করে। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তিও হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনায় কয়েকজন বাম কর্মী-সমর্থক জখম হয়েছিলেন। দুই পুলিশ কর্মীও জখম হয়েছিলেন বলে খবর। ওই দিনই ৪০ জনের বেশি বাম কর্মী-সমর্থককে আটক করা হয়। পরে রাতে চারজনকে গ্রেপ্তার করে বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়। পরদিন ধৃতদের আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁদের জামিন মঞ্জুর করে।
সেই ঘটনাতেই এবার গ্রেপ্তার করা হল প্রাজ্ঞ সিপিএম নেতা তথা উত্তরপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক শ্রুতিনাথ প্রহরাজকে। উত্তরপাড়ায় ওই সিপিএম নেতার বাড়ি। রাতে বাড়ি থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। প্রাক্তন বিধায়ক ছাড়াও ওই ঘটনায় সিপিএমের আরও দুই কর্মী দীপক চক্রবর্তী ও অনুপম চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বাড়ি কোন্নগরে। এই গ্রেপ্তারির ঘটনায় এলাকায় সিপিএম নেতা-কর্মীরা ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। পুলিশ বিজেপির দলদাস হিসেবে কাজ করছে বলে সিপিএমের অভিযোগ।
