মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল বাণ্ডিল বাণ্ডিল টাকা! আরও গভীরে লুকিয়ে রংবেরঙের নানা প্যাকেট, তাতে ভর্তি বিভিন্ন রকমের মাদক। রবিবার গোপন সূত্রে খবরের ভিত্তিতে নদিয়ার কালীগঞ্জ (Kaliganj) থানার পুলিশ মীরাবাজার এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে এসব হাতে পেয়ে রীতিমতো তাজ্জব! এত কিছু উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছে ২ জন। তবে কি সীমান্তবর্তী জেলায় সক্রিয় হচ্ছে পাচারচক্র? এত অর্থ আর মাদকের উৎস কী? এমনই নানা প্রশ্ন তদন্তকারীদের। যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে পুলিশের কড়া বার্তা, পাচারচক্রে গোড়া ভাঙা হবেই।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাদ্দাম হোসেন শেখ ও আখতার শেখ নামে দু'জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে দেড় কেজির বেশি কালো রঙের পাউডার, স্থানীয়ভাবে 'চায়না কর্ড' নামে পরিচিত এবং ২৯৭ গ্রাম সাদা রঙের পাউডার, স্থানীয় নাম 'গোড়ানি' উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া ৪.৮৩৩ কেজি সোডিয়াম কার্বোনেট অ্যানহাইড্রাসের মতো রাসায়নিক পাওয়া গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, ওইসব রাসায়নিক মাদক তৈরি বা প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ভেজাল হিসেবেও ব্যবহার আছে।
কালীগঞ্জে নানা ধরনের মাদক ও মাদক তৈরির রাসায়নিক উদ্ধার, নিজস্ব ছবি
কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার কালীগঞ্জ (Kaliganj) থানার অন্তর্গত মীরাবাজার। এখানেই রবিবার বিশেষ অভিযান চালিয়ে বড় সাফল্য পেয়েছে পুলিশ। মাটি খুঁড়ে উদ্ধার হয়েছে ৩২ লক্ষেরও বেশি নগদ, বিপুল পরিমাণ হেরোইন এবং রাসায়নিক পদার্থ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাদ্দাম হোসেন শেখ ও আখতার শেখ নামে দু'জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে দেড় কেজির বেশি কালো রঙের পাউডার, স্থানীয়ভাবে 'চায়না কর্ড' নামে পরিচিত এবং ২৯৭ গ্রাম সাদা রঙের পাউডার, স্থানীয় নাম 'গোড়ানি' উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া ৪.৮৩৩ কেজি সোডিয়াম কার্বোনেট অ্যানহাইড্রাসের মতো রাসায়নিক পাওয়া গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, ওইসব রাসায়নিক মাদক তৈরি বা প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ভেজাল হিসেবেও ব্যবহার আছে। সেসব পাঠানো হয়েছে ফরেনসিক পরীক্ষায়। রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত এসব নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চান না তদন্তকারীরা।
ঘটনায় ধৃতদের বিরুদ্ধে মাদকবিরোধী বা এনডিপিএস অ্যাক্টের ২১(সি) ও ২৯ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া বিপুল নগদ অর্থের উৎস, মাদক কোথা থেকে আনা হয়েছিল, কোথায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল এবং এই চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, মাদক পাচারচক্রের শিকড় পর্যন্ত পৌঁছতেই তদন্তে শুরু করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, সীমান্তবর্তী নদিয়া জেলায় মাদক পাচার রুখতে সাম্প্রতিক সময়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তারই মধ্যে এই উদ্ধারকে তদন্তকারী মহল একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখছে।
