shono
Advertisement
SIM Cards Smuggled

ঢাকার পাক দূতাবাসের মদতে পাকিস্তানে ভারতীয় সিমকার্ড পাচার! কোচবিহার কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়

পাচারের অভিযোগে রাজ্য পুলিশের এসটিএফের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে তিন আইএসআই চর মহম্মদ শফিকুল ইসলাম, নুর নাসিরুদ্দিন আলি ও রশিদুল হক ওরফে রশিদুল ইসলাম। তাদের জেরা করে ও মোবাইলের সূত্র ধরে বাংলাদেশের রংপুরের আকবর ও ঢাকার ওমরের নামও উঠে এসেছে।
Published By: Kishore GhoshPosted: 11:16 PM Aug 16, 2026Updated: 11:16 PM Aug 16, 2026

ঢাকার পাক দূতাবাসের মদতেই পাকিস্তানে ভারতীয় সিমকার্ড পাচার। কোচবিহারের দিনহাটায় সিমকার্ড পাকিস্তানে পাচার কাণ্ডে গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে এসেছে বাংলাদেশের দুই আইএসআই হ‌্যান্ডলার আকবর হোসেন ওরফে সম্রাট ও ওমরের নাম। আকবর ও ওমর দু’জনই ঢাকার পাক দূতাবাসের হয়ে কাজ করে। সম্প্রতি ভারতীয় সিমকার্ড পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে রাজ‌্য পুলিশের এসটিএফের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে তিন আইএসআই চর মহম্মদ শফিকুল ইসলাম, নুর নাসিরুদ্দিন আলি ও রশিদুল হক ওরফে রশিদুল ইসলাম। তাদের জেরা করে ও মোবাইলের সূত্র ধরে বাংলাদেশের রংপুরের আকবর ও ঢাকার ওমরের নামও উঠে এসেছে।

Advertisement

গোয়েন্দারা জেনেছেন, ঢাকার পাক দূতাবাসের কয়েকজন আধিকারিকের নির্দেশে ওই দুই মাস্টারমাইন্ড গত কয়েক মাসে অন্তত ১২টি ভারতীয় সিমকার্ড নেপালের দু’জন আইএসআইয়ের লিঙ্কম‌্যানের মাধ‌্যমে ইসলামাবাদে পাঠিয়েছে। আকবর ও ওমর এই রাজ্যে জাল নোট পাচারের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত। তাদের মদতেই গত ২০২৩ সাল থেকে রশিদুল নাজিরহাট এবং নয়ারহাট সীমান্ত এলাকায় দু বছরের মধ্যে প্রায় সাত লাখ টাকার জাল নোট পাচার করে।

এই তথ্যের সূত্র ধরে মিঠু বর্মন নামে আরও একজনের নাম এসেছে গোয়েন্দাদের কাছে। সে জাল নোট সরবরাহকারী বলে জানা গিয়েছে। মিঠুর সঙ্গে আকবর ও ওমরের সরাসরি যোগাযোগ ছিল বলেও গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন। এছাড়াও প্রদীপ্ত বসু নামে আরও একজনের খোঁজ চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা। জাল নোট ও সিম পাচারের জন্য আকবর রশিদুলের রাষ্ট্রায়ত্ত ব‌্যাঙ্কের অ‌্যাকাউন্টে আড়াই লাখ টাকা পাঠিয়েছিল। ওই টাকা প্রদীপ্ত বসুর মাধ্যমে নাসিরুদ্দিনের কাছে পাঠানো হয়। এই টাকার টেরর ফান্ডিং-এর কি না, সেই ব্যাপারে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement