শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: রাত যত বাড়ছে কুয়াশার দাপটে দৃশ্যমানতা ততই কমছে। জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে চা-কে দাওয়াই হিসেবে ব্যবহার করছে জলপাইগুড়ি ট্রাফিক পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য, সন্ধে নামতেই কুয়াশা পড়ছে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে কুয়াশার মাত্রা। আর তাতেই কমে আসছে দৃশ্যমানতা। জাতীয় সড়কে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দূরপাল্লার গাড়ির চালকদের চনমনে রাখতে রাতে চায়ের ব্যবস্থা করতে চলেছে সদর ট্রাফিক পুলিশ।শুক্রবার রাত থেকেই শুরু হচ্ছে এক কাপ চা সঙ্গে পথ নিরাপত্তার প্রচার।
তবে যে সে চা নয়। সদর ট্রাফিক ওসি বাপ্পা সাহার কথায়, আদা ও এলাচ মেশানো রীতিমতো কড়ক চায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে শুধু গাড়ির চালকরাই নন, রাতে জাতীয় সড়কে নজরদারির দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরাও চনমনে থাকবে বলে মনে করছেন তাঁরা।
[আরও পড়ুন: ‘প্রয়োজনে শিক্ষামন্ত্রীকে তলব করব’, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হুঁশিয়ারি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের]
উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম ৩১ ডি জাতীয় সড়ক চলে গিয়েছে জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন গোশালা মোড় ছুঁয়ে। জলপাইগুড়ি হয়ে শিলিগুড়ি যাওয়ার এই পথ দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার গাড়ি যাতায়াত করে। দুর্ঘটনা এড়িয়ে নিরাপদে যাতে যান চলাচল করে তার জন্য সকাল, দুপুর, রাত নিয়ম করে নজরদারি চালান ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা। রাস্তা দু’প্রান্তেই রয়েছে ট্রাফিক পয়েন্ট।
ট্রাফিক ওসি বাপ্পা সাহা জানান, ওই পয়েন্ট গুলিতে চায়ের ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি পাহাড়পুর ট্রাফিক পয়েন্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ মোড়েও একই ব্যবস্থা রাখছেন তাঁরা। গত কয়েকদিন ধরে কুয়াশার তীব্রতা বাড়ছে। একই সঙ্গে নামছে ঠান্ডার পারদ। শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও কমবে। এই অবস্থায় শীতের রাতে এক কাপ চা ছাড়া গতি নেই গাড়ির চালকদের। তাতে দুর্ঘটনা অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন ট্রাফিক পুলিশরা।
