স্টাফ রিপোর্টার: ময়নাগুড়ি সুভাষনগর হাই স্কুলে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনার তদন্ত শুরু করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। শুক্রবার অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক হরিদয়াল রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ঘটনার সত্যতা যাচাই করে দেখতে দুই দফায় শুনানির আয়োজন করা হয় পর্ষদের পক্ষ থেকে। এদিন দুপুর দু’টো থেকে শুনানি শুরু হয়। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ছাড়াও স্কুল পরিচালন সমিতির সদস্য, অন্যান্য শিক্ষক, মাধ্যমিকের সময় ওই স্কুলের দায়িত্বে থাকা পর্ষদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হয়।
[মাকে খুনের অভিযোগে জেলে বাবা, অনাথের মতো দিন কাটছে একরত্তির]
এদিনই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ময়নাগুড়ি থানায় এফআইআর করেন স্কুলের ইংরেজির শিক্ষক বিশ্বজিৎ রায়। তাঁর দাবি, হরিদয়ালবাবুকে অবিলম্বে প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে অপসারণ করতে হবে। এদিকে বৃহস্পতিবার স্কুলেরই দুই শিক্ষকের কথোপকথনের একটি অডিও ফাঁস হয়। তাতে প্রশ্ন ফাঁসের পর শিক্ষকদের দিয়ে জোর করে উত্তরপত্র লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি প্রায় সাড়ে সাতশো উত্তরপত্রও লোপাটের মতো বিস্ফোরক অভিযোগ রয়েছে হরিদয়াল রায়ের বিরুদ্ধে। আর অভিযোগের খাঁড়া মাথায় নিয়েই পর্ষদের তলবে এদিন কলকাতায় হাজিরা দেন হরিদয়ালবাবু।
[বাসন্তী পুজোর বোধনের দিন কাঁথিতে বিজেপির অস্ত্র মিছিলে হাঙ্গামা, দেখুন ভিডিও]
তাঁর বয়ান রেকর্ড করে তা স্কুলশিক্ষা দপ্তরে পাঠানোর ব্যবস্থা করে পর্ষদ। স্কুলের তরফে পাওয়া অডিও রেকর্ডটিও পর্ষদ খতিয়ে দেখে। প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ প্রমাণিত হলে নজিরবিহীন শাস্তির ব্যবস্থা হবে। এমন শিক্ষকদের পেশায় থাকা উচিত নয়। এমনকী কোনও পড়ুয়া উপকৃত হয়েছে প্রমাণিত হলে তারও পরীক্ষা বাতিল করা হতে পারে। এই জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতেই দপ্তরে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে। পর্ষদের তদন্ত শুরুর আগে বৃহস্পতিবারই ওই প্রধান শিক্ষককে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় যাবতীয় দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
[স্থায়ী হল না দাম্পত্য, অহনার অভিযোগে বধূ নির্যাতনের মামলা সিউড়ি আদালতে]
The post প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এফআইআর appeared first on Sangbad Pratidin.
