shono
Advertisement
Mohun Bagan

প্রেমিকা 'মোহনবাগানের মেয়ে', বিয়ের আগেই সবুজ-মেরুনে বাড়ি রাঙিয়ে চমকে দিলেন যুবক!

এক পাড়াতেই বাড়ি। সেই সূত্রে কিছুদিনের আলাপের পরেই মন দেওয়া-নেওয়া। প্রেমের সম্পর্ক কিছুদিনের মধ্যে পরিণতি পাবে, সামনেই তাঁদের বিয়ে। প্রেমিক-প্রেমিকা দু'জনেই ফুটবলপ্রেমী। শুধু তাই নয়, দু'জনেই মোহনবাগানের 'অন্ধভক্ত'।
Published By: Suhrid DasPosted: 07:17 PM Feb 03, 2026Updated: 07:17 PM Feb 03, 2026

এক পাড়াতেই বাড়ি। সেই সূত্রে কিছুদিনের আলাপের পরেই মন দেওয়া-নেওয়া। প্রেমের সম্পর্ক কিছুদিনের মধ্যে পরিণতি পাবে, সামনেই তাঁদের বিয়ে। প্রেমিক-প্রেমিকা দু'জনেই ফুটবলপ্রেমী। শুধু তাই নয়, দু'জনেই মোহনবাগানের 'অন্ধভক্ত'। অনেক সময় বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে কথাতেই উঠে এসেছে, তাঁদের রক্তের রঙ লাল নয়, সবুজ-মেরুন। প্রেমের মরশুম শুরু হচ্ছে দিন কয়েক পর থেকেই। প্রেম দিবস আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। সেই ভালোবাসার দিন উপলক্ষ্যে প্রেমিকা তথা ভাবী স্ত্রীকে অভিনব উপহার যুবকের। বাড়ির রং মোহনবাগানের সবুজ-মেরুনের আদলে করা হল।

Advertisement

হুগলির বৈদ্যবাটির ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ওই বাড়ি নিয়ে এখন চর্চাও শুরু হয়ে গিয়েছে। বহু মানুষ যাতায়াতের পথে থমকেও দাঁড়াচ্ছেন। ওই বাড়ি সুব্রত ঘোষের, তিনি সরকারি কর্মী। ছেলে শুভজিৎ। ওই পরিবার বরাবর মোহনবাগান প্রেমী। ২০০৬ সাল থেকে বাবার সঙ্গে শুভজিৎ মাঠে মোহনবাগান ফুটবল দলের খেলা দেখতে যাওয়া শুরু করে। এরপর নিজে, বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে যাওয়া, মোহনবাগানের হয়ে গলা ফাটানো। পড়াশোনার সূত্রে এক পাড়ারই বাসিন্দা শ্রমণা নন্দীর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল শুভজিতের। ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ে। সেখান থেকেই দু'জনের মন দেওয়া নেওয়া।

শুভজিৎ সলজ্জে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে ইচ্ছা ছিল বাড়ি মোহনবাগানের জার্সির রঙে হবে। কিন্তু কিছুতেই সেই ইচ্ছাপূরণ হচ্ছিল না। শ্রমণাকে এই ইচ্ছার কথা জানানো হয়।

দু'জনেই মোহনবাগানের অন্ধভক্ত। দু'জনের সম্পর্কে মান্যতা আগেই দিয়েছিল দুই পরিবার। শুভজিৎ ও শ্রমণার বিয়েও ঠিক হয়ে গিয়েছে। শীর্ঘই তাঁদের চার হাত এক হবে। তার আগেই শ্রমণাকে বিশেষ উপহার দিল শুভজিৎ। বাড়ি রং করার কথা আগেই ঠিক হয়েছিল। সেই মতো বাড়ির রং সবুজ-মেরুন করা হল। ওই এলাকায় গিয়ে মোহনবাগান বাড়ি বললে এখন প্রায় সকলেই এককথায় ওই বাড়িকে চিনিয়ে দিচ্ছেন। শুধু রংই নয়, বাড়ির সদর দরজার উপরে লাগানো হয়েছে ক্লাবের লোগো, পাল তোলা নৌকাও।

কিন্তু কেন এই ভাবনা? শুভজিৎ সলজ্জে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে ইচ্ছা ছিল বাড়ি মোহনবাগানের জার্সির রঙে হবে। কিন্তু কিছুতেই সেই ইচ্ছাপূরণ হচ্ছিল না। শ্রমণাকে এই ইচ্ছার কথা জানানো হয়। এককথায় রাজি হয়ে যান তিনিও। তারপরই রং করার তোড়জোড় শুরু হয়ে যায়। প্রেম দিবসের আগেই প্রেমিকার উদ্দেশ্যে এই উপহার দেওয়া হল। শুভজিতের বাবা সুব্রত ঘোষ জানিয়েছেন, ভাবী পুত্রবধূও মোহনবাগানের ভক্ত। ম্যাচের সময় সকলেই একসঙ্গে খেলা দেখা হয়। ছেলের কাজে খুশি তিনিও।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement