নাবালিকাকে পর্যটন কেন্দ্রে একা পেয়ে হাত-পা বেঁধে শ্লীলতাহানি! গোপনাঙ্গে হাত দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। আদালতে চলে মামলা। ওই ঘটনায় সাজা শোনাল আদালত। ধৃত যুবককে পাঁচ বছরের সাজা শোনাল আরামবাগ (Arambagh) মহকুমা আদালত। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৪ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ১০ বছর বয়সী ওই নাবালিকা ঠাকুমার সঙ্গে হুগলির গোঘাট এলাকার একটি পর্যটন কেন্দ্রে গিয়েছিল। কিছু সময় পর ঠাকুমার নজর এড়িয়ে ওই নাবালিকা একাই খেলছিল। সেসময় ওই যুবক পিছন থেকে তাকে জাপটে ধরেছিল। দুপুরবেলা ওই পর্যটন কেন্দ্র ফাঁকাই ছিল। সেই সুযোগে ওই কিশোরীকে জোর করে মুখ চেপে ধরা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, নাবালিকার হাত-মুখ বেঁধে ফেলা হয়েছিল! তার গোপনাঙ্গে হাত দেওয়া হয়েছিল।
পরে তাকে একা সেখানে ফেলে রেখে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা পরে ওই কিশোরীকে সেখান থেকে উদ্ধার করে। ঠাকুমাও চলে আসে সেখানে। বাড়ি ফিরে নির্যাতিতা গোটা ঘটনার কথা মাকে জানায়। ঘটনার কথা শিউড়ে ওঠে পরিবারের সদস্যরা। কালবিলম্ব না করে নাবালিকার মা গোঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ দ্রুত তদন্তে নেমে ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
আরামবাগ (Arambagh) মহকুমা আদালতে শুরু হয় মামলা। আজ, বুধবার আরামবাগ মহকুমা আদালত যুবককে দোষী সাব্যস্ত করে। পাঁচ বছরের কারাদণ্ড শোনানো হয়। এছাড়াও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন বিচারক কিশানলাল আগরওয়াল। রায় শুনে স্বস্তি পেয়েছে নাবালিকার পরিবার।
