বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস। পরে এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগে হাজতবাস। সংশোধনাগার থেকে ছাড়া পেয়ে প্রেমিকার গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল প্রেমিকের বিরুদ্ধে। তাঁকে ফের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে যুবককের দাবি, তাঁরা দু'জন একসঙ্গে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। যুবতী আগে আগুন দিতেই প্রতিবেশীরা চলে আসে। তখন তিনি পালিয়ে যান।
ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) রাজগঞ্জ ব্লকের সন্নাসীকাটা এলাকায়। যুবক-যুবতী জমিদারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার ভোররাতে যুবতীর চিৎকারে ঘুম ভাঙে প্রতিবেশীদের। তাঁরা দেখে দাউদাউ করে জ্বলছিল যুবতীর শরীর। সেই অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যুবতী সেখানেই চিকিৎসাধীন। অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী যুবকই যুবতীর গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। শুক্রবার অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করে রাজগঞ্জ থানার পুলিশ।
যুবকের দাবি, দু'জনের মধ্যে বেশ কয়েক দিন ধরে বিবাদ চলছিল। বুধবার সন্ধ্যা থেকে তা চরমে ওঠে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে দু'জনেই একসঙ্গে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। যুবতীর শরীরে আগুন ধরে যায়। চিৎকার করতেই আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। নিজে ভয়ে পালিয়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, যুবতী আগে প্রেমিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। জেলে থাকতে হয় যুবককে। পরে বিষয়টি মিটমাট হয়। ফের তাঁদের সম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু কয়েকদিন আগে ফের তাঁদের ঝামেলা শুরু হয়। যুবতীর পরিবার অভিযোগ তুলছে, প্রতিশোধ নিতেই মেয়েকে খুনের ছক কষেছিল যুবক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
