shono
Advertisement
Purba Bardhaman

তোলাবাজির রংবদল, গেরুয়া কুপনে চাওয়া হচ্ছে টাকা! শোরগোল বর্ধমানে

স্ট্যান্ডে বাস দাঁড়ালেই কাটা হচ্ছিল কুপন! ওই গেরুয়া পতাকার ছবি দেওয়া প্রতি কুপনের বিনিময়ে নেওয়া হচ্ছিল ৪০ টাকা! ভারতীয় মজদুর সংঘের সদস্যরা ওই নিয়ম বহির্ভূত কুপন কাটছিলেন বলে অভিযোগ।
Published By: Suhrid DasPosted: 04:42 PM Aug 08, 2026Updated: 04:42 PM Aug 08, 2026

তোলাবাজির রংবদল! স্ট্যান্ডে বাস দাঁড়ালেই কাটা হচ্ছিল কুপন! ওই গেরুয়া পতাকার ছবি দেওয়া প্রতি কুপনের বিনিময়ে নেওয়া হচ্ছিল ৪০ টাকা! ভারতীয় মজদুর সংঘের সদস্যরা ওই নিয়ম বহির্ভূত কুপন কাটছিলেন বলে অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে। ঘটনা জানাজানি হতেই শোরগোল ছড়িয়েছে। বিতর্কের মধ্যে মুখও খুলেছেন ভারতীয় মজদুর সংঘের স্থানীয় নেতা।

Advertisement

তৃণমূল আমলে বেআইনিভাবে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় কুপন কেটে টাকা তোলার অভিযোগ উঠল। বেআইনিভাবে টোল বানিয়ে টাকাও তোলা হত বিভিন্ন জেলায়। তৃণমূল নেতা-কর্মীদের পকেটে সেই বিপুল পরিমাণ টাকা ঢুকত বলে অভিযোগ। রাজ্যে পালাবদলের পরে বিজেপি সরকার দুর্নীতি, তোলাবাজিতে 'জিরো টলারেন্স' নীতি নিয়েছে। রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে, বাসস্ট্যান্ড থেকে কুপনের বিনিময়ে বেআইনিভাবে কোনও টাকা তোলা যাবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে। সেই আবহে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে গেরুয়া কুপনে দিন কয়েক ধরে বাস মালিকদের কাছ থেকে চাঁদা তোলা হচ্ছিল! 

গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে আগে তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের অফিস ছিল। বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যে পালাবদল ঘটতেই তৃণমূল কংগ্রেসের সেই ইউনিয়ন অফিসের রং বদলে গিয়ে গেরুয়া করে দেওয়া হয়।

সেই কুপনে কোনও দল, সংগঠনের নামোল্লেখ ছিল না। তবে গেরুয়া পতাকার ছবি ছাপা কুপনের মাধ্যমে প্রত্যেকটি বাস থেকে রোজ ৪০ টাকা করে টাকা আদায় করছিলেন ভারতীয় মজদুর সংঘের সদস্যরা। বিজেপি নেতৃত্ব এনিয়ে আলোচনার পর পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ ওইভাবে টাকা তোলা নিষেধ করে দিয়েছে। বিতর্ক শুরু হতেই কুপন কেটে টাকা আদায় বন্ধ হয়েছে। গুসকরা বাসস্ট্যান্ডের ওই ইউনিয়ন অফিসে তালাও পড়ে গিয়েছে।

উল্লেখ্য, গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে আগে তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের অফিস ছিল। বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যে পালাবদল ঘটতেই তৃণমূল কংগ্রেসের সেই ইউনিয়ন অফিসের রং বদলে গিয়ে গেরুয়া করে দেওয়া হয়। বাস মালিকদের তরফে জানা গিয়েছে, গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়ানো প্রতিটি বাস থেকে এমনিতেই রোজ ২৫ থেকে ৩০ টাকা করে ফি আদায় করে গুসকরা পুরসভা! পাশাপাশি গত এক সপ্তাহ ধরে ভারতীয় মজদুর সংঘের ইউনিয়ন অফিস থেকে বাস পিছু ৪০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছিল কুপনের মাধ্যমে।

যদিও কুপনে কোনও সংগঠন বা রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ ছিল না। ভারতীয় মজদুর সংঘের জেলা কমিটির সভাপতি মাধব দাস স্বীকার করেন, তাঁদের অনুমতিতেই গুসকরা বাসস্ট্যান্ডের শ্রমিক সংগঠন চাঁদা আদায় হচ্ছিল। বিনিময়ে ওই সদস্যরা পরিষেবাও দিচ্ছিলেন বলে দাবি মাধববাবুর। তবে বিতর্ক শুরু হতেই টাকা আদায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement