shono
Advertisement
Purulia

বর্ষার ঘন জঙ্গলে গা ঢাকা দেওয়া সুবিধার! মাওবাদীদের খুঁজতে বৃষ্টিতেও অভিযান পুরুলিয়া পুলিশের

ঝাড়খন্ড সন্নিহিত জঙ্গল ঘেঁষা বিভিন্ন টোলাকে ঘেরাবন্দি করে রেখেছে এই অভিযানে শামিল হওয়া মাও দমনে প্রশিক্ষিত বাহিনী কাউন্টার এনসার্জেনসি ফোর্স (সিআইএফ)।
Published By: Kousik SinhaPosted: 04:10 PM Aug 08, 2026Updated: 04:10 PM Aug 08, 2026

জঙ্গলের মধ্যে শুধু অ্যামবুশ করে থাকা নয়। জীবিত মাও বঙ্গ ব্রিগেডকে ধরতে এবার নজর ঝাড়খন্ড সীমান্তবর্তী পুরুলিয়ার বান্দোয়ানের বিভিন্ন টোলা। আর সেই কারণেই মাও দমন অভিযানে পুরুলিয়া জেলা পুলিশের প্রধান কৌশল ঘেরাবন্দি! কারন কঠিন পরিস্থিতিতে মাওবাদীরা যখন একটি এলাকার মধ্যে আটকে যায়। তখন তারা সেই এলাকাতেই দিনের পর দিন থেকে যায়। পুলিশ মুভমেন্ট কমলে তবে তারা জায়গা বদল করেন। আর এটাকেই হাতিয়ার করেছে পুরুলিয়া জেলা পুলিশের অভিযান। ঝাড়খন্ড সন্নিহিত জঙ্গল ঘেঁষা বিভিন্ন টোলাকে ঘেরাবন্দি করে রেখেছে এই অভিযানে শামিল হওয়া মাও দমনে প্রশিক্ষিত বাহিনী কাউন্টার এনসার্জেনসি ফোর্স (সিআইএফ)। যাতে তাদের সমস্ত সাপ্লাই লাইন কেটে দেওয়া যায়। খাবার পর্যন্ত না পায়। অর্থাৎ জঙ্গল ঘেঁষা ওই টোলা থেকে তাদের কাছে যাতে কোন খাবার না যায় সেই নজরদারি চলছে রাতেও। অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে শুরু হওয়া অভিযান শুক্রবার দ্বিতীয় দিন ২৪ ঘন্টা হওয়ার পরেও অপারেশন চলছেই বান্দোয়ান ছুঁয়ে থাকা বাংলা-ঝাড়খন্ড সীমান্তবর্তী এলাকায়। একইভাবে ওপারে ঝাড়খন্ড-এও চলছে অভিযান।

Advertisement

সশস্ত্র মাওবাদীরা কোনঠাসা হয়ে থাকলেও তাদের কাছে এখন বড় অ্যাডভান্টেজ বর্ষা। সেই সঙ্গে বৃষ্টিতে জঙ্গল ঘন হয়ে যাওয়া। তবে এই বৃষ্টির মধ্যেও চলে পুরুলিয়া জেলা পুলিশের অভিযান।

কিছু খবরের ভিত্তিতে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ এই অভিযান চালালেও জীবিত বঙ্গ ব্রিগেডরা বান্দোয়ান ছুঁয়ে আশ্রয় নিয়েছে এমন নিশ্চিত তথ্য নেই। কিন্তু পুরুলিয়া জেলা পুলিশ ভীষণই সতর্ক। যাতে অতীতের কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। যদিও একেবারেই কোণঠাসা হওয়া স্কোয়াড হাফডজনে নেমে আসা কমান্ডাররা নাশকতা চালানোর মতো কোনও পরিস্থিতিতেই নেই। তবুও একেবারে সতর্ক পুলিশ। যাতে এই জঙ্গল যুদ্ধে কোনভাবেই কোণঠাসা মাওবাদীরা মনোবল না পেয়ে যায়।

তবে গোয়েন্দাদের সূত্রে যা খবর, জীবিত মাও বঙ্গ ব্রিগেডের যে প্রায় ৬ জন সদস্য রয়েছেন তারা আর এক জায়গায় নেই। জঙ্গল যুদ্ধে কৌশলগত কারণেই আলাদা হয়ে গিয়েছেন। সেই সঙ্গে ঝাড়খন্ড পুলিশের নজরে রয়েছে সিপিআই (মাওবাদী)র পলিটব্যুরো সদস্য মিসির বেসরা গ্রেপ্তারের পর সারান্ডা থেকে চান্ডিল-দলমামুখী হওয়া সালুকা কায়েম ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন। এই সশস্ত্র মাওবাদীরা কোনঠাসা হয়ে থাকলেও তাদের কাছে এখন বড় অ্যাডভান্টেজ বর্ষা। সেই সঙ্গে বৃষ্টিতে জঙ্গল ঘন হয়ে যাওয়া। তবে এই বৃষ্টির মধ্যেও চলে পুরুলিয়া জেলা পুলিশের অভিযান।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement