পুজোর মরশুমে অতিরিক্ত জয়রাইডের ঘোষণা দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের। ১ অক্টোবর থেকেই সেই জয়রাইড শুরু করতে চলেছে ডিএইচআর। জয়রাইডের নাম রেড পান্ডা ও মুক্তধারা। পুজোর মরশুমে দার্জিলিংয়ের ঐতিহ্যবাহী টয় ট্রেনের (Darjeeling Toy Train) চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। সেই বাড়তি চাপের কথা মাথায় রেখে নিয়মিত পরিষেবার পাশাপাশি অতিরিক্ত রাইড চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জয়রাইড এবং চার্টার্ড টয়ট্রেনের চাহিদা মেটাতেও প্রস্তুতি শুরু করেছে ডিএইচআর কর্তৃপক্ষ।
পর্যটকদের বড় অংশেরই পছন্দের তালিকায় থাকে শতাব্দীপ্রাচীন টয়ট্রেনে সফর। ফলে এই সময় নিয়মিত ট্রেনের পাশাপাশি জয়রাইডের চাহিদাও বাড়ে। এই বাড়তি চাহিদা সামলাতেই পরিষেবা বৃদ্ধির দিকে নজর দিয়েছে ডিএইচআর।
সামনেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। একেবারে লম্বা ছুটি। পুজোর এই ছুটিতে সমতল থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটক দার্জিলিং, কার্শিয়াং-সহ পাহাড়ের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় করেন। সেই প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে পর্যটকদের বড় অংশেরই পছন্দের তালিকায় থাকে শতাব্দীপ্রাচীন টয়ট্রেনে সফর। ফলে এই সময় নিয়মিত ট্রেনের পাশাপাশি জয়রাইডের চাহিদাও বাড়ে। এই বাড়তি চাহিদা সামলাতেই পরিষেবা বৃদ্ধির দিকে নজর দিয়েছে ডিএইচআর।
ডিএইচআর নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, সিঙ্গল ট্রিপ জয়রাইড চলছে দার্জিলিং থেকে ঘুম স্টেশন পর্যন্ত। দার্জিলিং থেকে ঘুমে পৌঁছতে সকাল ৯টা ২০ মিনিট এবং ১১টা ২৫ মিনিট এই দুটো সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে ঘুম স্টেশন থেকে দার্জিলিং স্টেশন পর্যন্ত দুটো সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ১০টা ২৫ মিনিট এবং দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট। তবে এই রাইডের ক্ষেত্রে ডিজেল চালিত ইঞ্জিন ব্যবহার করা হবে। সে ক্ষেত্রে ভাড়াও নির্ধারণ করা হয়েছে সাধ্যের মধ্যে। এক্ষেত্রে খরচ মাথাপিছু মাত্র ৮০০ টাকা।
অন্যদিকে হেরিটেজ বাষ্পচালিত ইঞ্জিনে জয়রাইড খানিকটা দীর্ঘস্থায়ী। সে ক্ষেত্রে দুটো রাউন্ডে ট্রেন চালাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএইচআর। প্রথমটির নাম দেওয়ার হয়েছে দার্জিলিংয়ের ঐতিহ্যবাহী রেড পান্ডার নামে। কার্শিয়াং থেকে মহানদী পর্যন্ত এই বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের জয় রাইড চলবে। যা সকাল ৯টায় ছাড়বে কার্শিয়ং থেকে। যা আগামী পুজোর ছুটিতে পর্যটকদের কাছে বড় আকর্ষণ হয়ে উঠতে চলেছে।
