দুজনেই বিবাহিত! রয়েছে সন্তানও। কিন্তু এরপরেও বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ান বলে অভিযোগ। এরপর হাতেনাতে ধূপগুড়ির একটি লজ থেকে ওই যুগলকে ধরা হয়। এরপরেই চলে গণধোলাই। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে ধূপগুড়িতে। অভিযোগ, ধূপগুড়ির একটি বেসরকারি লজে একান্তে সময় কাটাতে গিয়েছিলেন দু'জনে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্য ও কয়েকজন স্থানীয় যুবক সেখানে পৌঁছে যান। এরপরেই দু’জনকে পূর্ব মাগুরমারির একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে দড়ি দিয়ে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয় বলে অভিযোগ। শুরু হয় মারধর।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমে যায়। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ধূপগুড়ি থানার পুলিশ।
জানা গিয়েছে, খট্টিমারি এলাকার বাসিন্দা রেজিনা বানু এবং আলি হুসেন দু’জনেই বিবাহিত এবং তাঁদের একটি করে সন্তান রয়েছে। রেজিনার স্বামী ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। অভিযোগ, সেই সুযোগে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান রেজিনা। জানা যায়, প্রায় দু’বছর ধরে কুমলাই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ফুটপাতে মুরগির ব্যবসা করা আলি হুসেনের সঙ্গে রেজিনার সম্পর্ক তৈরি হয়। যা জানাজানির হওয়ার পর থেকেই দুই সংসারে শুরু হয় অশান্তি। কিন্তু এরপরেও সম্পর্ক থেকে রেজিনা বেরতে পারেননি।
অভিযোগ, অশান্তির মধ্যেই ওই যুগল ধূপগুড়ির একটি বেসরকারি লজে নিজেদের মধ্যে কিছুটা সময় কাটাতে যান। অভিযোগ, সেই খবর জানাজানি হতেই ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় দুই পরিবারের সদস্যরা। সেখানেই হাতেনাতে ওই যুগলকে ধরা হয় বলে অভিযোগ। এরপর বাড়িতে এনে দড়ি দিয়ে একসঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। চড়-থাপ্পড়, ঘুষি ও মারধরের পাশাপাশি রেজিনার শ্বশুরবাড়ির লোকজনও তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, আটক যুবক আলি হুসেন এর আগে একাধিকবার বিয়ে করেছেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমে যায়। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে দড়ি দিয়ে বাঁধা মহিলা ও যুবককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
