হেরোইন পাচার মামলায় তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) জামাই রায়হান আলিকে নোটিস পাঠাল লালগোলা পুলিশ। ২৮ ফেব্রুয়ারি থানায় তলব করা হয়েছে তাঁকে। সকাল ১১টার মধ্যে তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রেয়াহান বাড়িতে না থাকায় তাঁর পরিবারের সদস্যদের হাতে নোটিস দিয়ে আসা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
হেরোইন পাচার মামলায় রেয়াহানের বিরুদ্ধে নারকোটিকস আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ, হেরোইন পাচারে যুক্ত রয়েছেন জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যানের জামাই। আগে দায়ের করা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে ডাকা হয়েছে বলে খবর। ৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় পুলিশ রায়হান, তাঁর বাবা শরিফুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) কন্যা নাজমা সুলতানার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে। ৯ ফেব্রুয়ারি পুলিশ তাঁদের ১৫ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে। মাদক সংক্রান্ত কার্যকলাপের অর্থের উল্লেখ করে পুলিশ পরিবারের সদস্যদের অন্তত ১১টি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে।
হুমায়ুন কবীর জামাইয়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে, পালটা গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, "মাত্র চার দিন আগে রায়হানকে তৃণমূলে যোগদানের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। লালগোলা বিধানসভা আসন থেকে প্রার্থী হওয়ারও কথা বলা হয়।" তাঁর আরও দাবি, রায়হানের এই 'অফার' ফিরিয়ে দেওয়ার পরই সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় তাঁকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, "রায়হানের সঙ্গে রাজনীতি বা মাদক পাচারের সঙ্গে কোনও যোগ নেই। রায়হান আগাম জামিনের আবেদন করবেন না। ২৮ তারিখ থানাতেও হাজিরা দেবেন না বলেও জানিয়েছেন হুমায়ুন। এরপরই কার্যত হুমকির সুরে জানিয়েছেন, তাঁর জামাইকে গ্রেপ্তার করা হলে, ফল ভোগ করতে হবে ।
