তিন বছর ধরে পাকিস্তানের জেলে বন্দি হয়ে রয়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানার তিন মৎস্যজীবী। এই খবর সোশাল মিডিয়ায় জানতে পেরেই পদক্ষেপ করেছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তিনজনের দ্রুত মুক্তির বিষয়ে ইতিমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছেন। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের নির্দেশে বুধবার ওই তিন মৎস্যজীবীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদার ও কাকদ্বীপের তৃণমূল বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরা।
অভিষেকের নির্দেশমতো বুধবার ওই তিন মৎস্যজীবীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন কাকদ্বীপের বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরা ও মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার।
নামখানার নাদাভাঙার বাসিন্দা তিন মৎস্যজীবী ৫০ বছরের তপন মহাপাত্র, ৫৮ বছরের কাশীনাথ মণ্ডল ও ৪৮ বছরের দিলীপ বাগ গুজরাটে একটি ট্রলারে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। পোরবন্দর থেকে ব্রজভূমি ও মানদ্বীপ নামে দু'টি ট্রলারে সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে তাঁরা পাকিস্তানি উপকূল রক্ষী বাহিনীর হাতে আটক হন। ২০২৩ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে পাকিস্তানের জেলে এই তিনজন বন্দি রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপি সমর্থক ওই তিন মৎস্যজীবীর পরিবার এই বিষয়টি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি গিয়ে তাঁকে জানিয়েছিলেন। তাঁদের ঘরে ফেরানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু তিন বছর পরেও ওই তিন মৎস্যজীবীর পাকিস্তান জেল থেকে মুক্তি মেলেনি।
বুধবার ওই মৎস্যজীবীদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে অভিষেকের পাঠানো আর্থিক সাহায্য তুলে দিলেন সাংসদ বাপি হালদার। নিজস্ব ছবি
২০২৩ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে পাকিস্তানের জেলে এই তিনজন বন্দি রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপি সমর্থক ওই তিন মৎস্যজীবীর পরিবার এই বিষয়টি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি গিয়ে তাঁকে জানিয়েছিলেন। তাঁদের ঘরে ফেরানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু তিন বছর পরেও ওই তিন মৎস্যজীবীর পাকিস্তান জেল থেকে মুক্তি মেলেনি।
সোশাল মিডিয়ায় বিষয়টি জানতে পেরে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের জেলমুক্তির বিষয়ে তৎপর হন। গুজরাট সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহের পর বিষয়টি নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সঙ্গেও ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছেন। অভিষেকের নির্দেশমতো বুধবার ওই তিন মৎস্যজীবীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন কাকদ্বীপের বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরা ও মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তিন মৎস্যজীবীকে দ্রুত ঘরে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছেন জানিয়ে তিনটি পরিবারকে তাঁদের দ্রুত মুক্তির আশ্বাসও দেন তাঁরা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারগুলিকে যে আর্থিক সাহায্য পাঠিয়েছেন, তাও পরিবারগুলির হাতে তুলে দেন মথুরাপুরের সাংসদ।
