রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস। বিরল মৃত্তিকা মৌল। পুরুলিয়ায় এবার যে ধাতুগুলির খনন শুরু হবে, সেই খনিজ ব্লকের জন্য নিলামের আদেশনামা জারি করল কেন্দ্র। পুরুলিয়া (Purulia) ঝালদা-২ তহসিলের তাহাদ্দিরি গ্রামের বেকু রেয়ার মেটাল ব্লকের জন্য এই আদেশনামা জারি করা হয়েছে। বলে রাখা ভালো, বিশ্বের বিরল খনিজ সম্পদের সিংহভাগই রয়েছে চিনে। এবার ভারতে এর খনন শুরু হলে বেজিং চাপে পড়বে বলে ধরেই নেওয়া যায়।
উল্লেখ্য, জিএসআই যে অনুসন্ধান প্রকল্প হাতে নিয়েছিল, সেই কাজেই পুরুলিয়ায় এই রেয়ার আর্থ-র সন্ধান মিলেছিল। এই বিরল মৃত্তিকা খনিজ ১৭টি ধাতব মৌলের একটি বিশেষ গোষ্ঠী। যা উত্তোলিত হলে বহু রাজস্ব বাড়বে রাজ্য ও কেন্দ্রের। এই খনিজ প্রকল্পকে ঘিরে হবে কর্মসংস্থানও। এর আগে পুরুলিয়া দু’নম্বর ব্লকের বেলমা গ্রাম পঞ্চায়েতের কালাপাথর, রঘুডি গ্রামের ধাতব ব্লকের জন্য নিলামের আদেশনামা জারি করেছিল কেন্দ্র। এবার যার সঙ্গে যুক্ত হল বেকুও।
এবার ভারতে এই খনন শুরু হলে চিনের একাধিপত্য ভেঙে যেতে পারে। পাশাপাশি এই ধরনের সমৃদ্ধশালী খনিজ সম্পদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির 'আত্মনির্ভর ভারত'-এর স্বপ্নও সত্যি হয়ে উঠবে।
কিন্তু কেন এই খনিজ পদার্থ এত গুরুত্বপূর্ণ? আসলে ক্ষমতার ভারসাম্যের দিকটি নতুন করে নির্ধারণ করছে বিরল খনিজ। কোনও দেশের ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা খাতে যা রীতিমতো নেতৃত্ব দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। আর সেই কারণেই যত সময় যাচ্ছে তত এর চাহিদা বেড়ে চলেছে। ফলে চিন রীতিমতো কূটনৈতিক খেলা খেলছে। যদিও ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়াতেও রয়েছে এই খনিজ। কিন্তু বেজিংয়ের পরিমাণের ধারেকাছেও আসে না তারা।
এবার ভারতে এই খনন শুরু হলে চিনের একাধিপত্য ভেঙে যেতে পারে। পাশাপাশি এই ধরনের সমৃদ্ধশালী খনিজ সম্পদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির 'আত্মনির্ভর ভারত'-এর স্বপ্নও সত্যি হয়ে উঠবে। তাছাড়া চিন বিরল খনিজ রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণ কঠোর করায় বিশ্বে যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে সেখানেও ভারত ভালো অবস্থানে থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
