রাজ্যসভার (Rajya Sabha) সাংসদ হিসেবে সোমবার শপথ গ্রহণ করলেন বাংলার পাঁচ জন সাংসদ। প্রাক্তন পুলিশ কর্তা রাজীব কুমার, আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী, অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক, সঙ্গীত শিল্পী তথা প্রাক্তন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ও বিজেপি নেতা বিশ্বজিৎ সিনহা (রাহুল সিনহা) এদিন রাজ্যসভায় সাংসদ হিসেবে শপথ নেন। রাজনীতিতে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে নতুন ইনিংস শুরু করলেন রাহুল সিনহা। রাজীব, বাবুল, কোয়েল ও রাহুল এদিন বাংলায় শপথ নেন। তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান দেশের উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণন।
পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও তামিলনাড়ু, ওড়িশা, ও মহারাষ্ট্রের মোট ১৯ জন সাংসদ সোমবার শপথ নেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৫ জন, তামিলনাড়ু থেকে ৬ জন, ওড়িশা থেকে ৩ জন এবং মহারাষ্ট্র থেকে ৫ জন সাংসদ হিসেবে শপথ নিয়েছেন। বাংলার পাঁচ জনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। এদিন শপথবাক্য পাঠ করে রাজ্যসভা কাজ শুরু করলেন তাঁরা।
রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করছেন কোয়েল মল্লিক।
অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক, সুপ্রিম কোর্টের প্রভাবশালী আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী, প্রাক্তন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ও প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারের নাম রাজ্যসভা নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে চমকে দিয়েছিল তৃণমূল। অন্যদিকে, প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহাকে রাজ্যসভায় পাঠায় বিজেপি। গত ৫ মার্চ মনোনয়ন জমা দেন তাঁরা। এরপর ৯ মার্চ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পান। আজ থেকেই রাজনীতির ইনিংস শুরু করলেন কোয়েল, মেনকা এবং রাজীব কুমার। এদিন সংসদে হাজির হয়েছিলেন কোয়েলের বাবা-মা। অন্যদিকে, প্রথমবার সাংসদে পা রেখে নতুন ইনিংস শুরু করলেন রাহুলও। এর আগে চার বার বিধানসভায় ও পাঁচ বার লোকসভায় হার হয়েছে তাঁর। অবশেষে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন রাহুল।
আজ রাজ্যসভায় বাবা-মা'র সঙ্গে কোয়েল।
সোমবার শপথ অনুষ্ঠান চলাকালীন রাজ্যসভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। এদিন সবার আগে মহারাষ্ট্রের বিজেপির টিকিটে জয়ী মায়া চিন্তামন ইভানতে সর্বপ্রথম শপথবাক্য পাঠ করেন। তারপর হুইচেয়ারে শপথ নিতে আসেন শরদ পাওয়ার। শপথগ্রহণের পর রাজ্যসভার চেয়ারম্যান রাধাকৃষ্ণন সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
