shono
Advertisement
Vishva Bharati

ইন্টারভিউতে বাদ যোগ্য প্রার্থী! বিশ্বভারতীতে নিয়োগ 'দুর্নীতি'তে জবাব তলব তফসিলি কমিশনের

বাংলা বিভাগে তফসিলি উপজাতিভু্ক্ত অধ্যাপকের নিয়োগ ঘিরে মাস চারেক আগে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 10:32 AM Jun 21, 2026Updated: 10:32 AM Jun 21, 2026

বিশ্বভারতীর বাংলা বিভাগে সহকারী অধ্যাপক পদে তফসিলি উপজাতিভুক্ত (এসটি) প্রার্থীর নিয়োগে অনিয়মের বড়সড় অভিযোগ। তা নিয়ে ফের নড়েচড়ে বসল জাতীয় তফসিলি জনজাতি কমিশন। কমিশনের দাবি, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে উপাচার্যের কাছে এনিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনও জবাব দেয়নি। ফলে সম্প্রতি নতুন করে নোটিস পাঠিয়ে ৭ দিনের মধ্যে অভিযোগ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য ও গৃহীত পদক্ষেপের রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক তুষার পটুয়া গত জানুয়ারিতে কমিশনের কাছে এই সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এসটি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে এবং যোগ্য প্রার্থীদের ইন্টারভিউ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন তদন্ত শুরু করে।সাম্প্রতিক নোটিসে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে জবাব না পেলে সংবিধানপ্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সমন জারি করা হতে পারে।

কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক তুষার পটুয়া গত জানুয়ারিতে কমিশনের কাছে এই সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এসটি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে এবং যোগ্য প্রার্থীদের ইন্টারভিউ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন তদন্ত শুরু করে।সাম্প্রতিক নোটিসে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে জবাব না পেলে সংবিধানপ্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সমন জারি করা হতে পারে। তুষার পটুয়ার দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নীরবতা নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন আরও বাড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলা বিভাগে সহকারী ও সহযোগী অধ্যাপক পদের ইন্টারভিউ স্থগিত হওয়ার পর প্রকাশিত প্রাথমিক তালিকা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। একাধিক প্রার্থী নির্বাচনের মানদণ্ড ও বাদ পড়ার কারণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পরে মে মাসে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও সহযোগী অধ্যাপক এসটি পদের নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। এখন বিশ্বভারতীর জবাব এবং কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর সংশ্লিষ্ট মহলের। তবে এ বিষয়ে কোনও পালটা উত্তর মেলেনি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement