আর জি কর হাসপাতালে নির্যাতিতা চিকিৎসকের পরিচয় এবার প্রকাশ্যে আনল পরিবার। এতদিন আড়ালে থাকলেও আর তেমনটা চাইছেন না বলে সাফ জানালেন তরুণীর বাবা। তাঁর বক্তব্য, অপরাধীরা যখন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, তখন ভুক্তভোগীর পরিবারের আড়ালে থাকার কোনও কারণ নেই। প্রকাশ্যে এসেই তাঁরা ন্যায়বিচারের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাবেন।
সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় একটি অনুষ্ঠানের ছবি ছড়িয়ে পড়ে। সেই ছবিতে তরুণী চিকিৎসককে তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা যায়। ছবি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এ প্রসঙ্গে 'সংবাদ প্রতিদিন'কে ফোনে অভয়ার বাবা জানান, ‘জাস্টিস ফর মাই অ্যাঞ্জেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজ থেকে রবিবার, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ছবিটি পোস্ট করা হয়েছে। সেই পেজটি তিনি ও তাঁর স্ত্রীই পরিচালনা করেন বলে দাবি তাঁর। পরিবারের অনুমতিতেই ছবিটি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
'সংবাদ প্রতিদিন'কে ফোনে অভয়ার বাবা জানান, ‘জাস্টিস ফর মাই অ্যাঞ্জেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজ থেকে রবিবার, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ছবিটি পোস্ট করা হয়েছে। সেই পেজটি তিনি ও তাঁর স্ত্রীই পরিচালনা করেন বলে দাবি তাঁর। পরিবারের অনুমতিতেই ছবিটি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তাঁর কথায়, “আমরা প্রকাশ্যে আসতে চাইছি। কেন আমরা ক্যামেরার পিছনে থাকব? যারা অপরাধী তাদেরই তো লুকিয়ে থাকার কথা। তারা বুক ফুলিয়ে ঘুরবে আর আমরা পেছনে লুকিয়ে থাকব কেন? আমরা চাই সবাই জানুক যে অন্যায় হয়েছে। তাই সবকিছু সামনে আনতে চাই।” তরুণীর বাবার মতে, ভুক্তভোগীর পরিবারকে আড়ালে রেখে দেওয়াও এক ধরনের সামাজিক চাপ তৈরি করে। এতে সাধারণ মানুষ অনেক সময় প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরি করতে পারেন না। তাই প্রকাশ্যে এসে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে চান। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ভিডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়নি বলেও জানান তরুণীর বাবা। যদিও ভবিষ্যতে প্রকাশ্যে এসে বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত বক্তব্য রাখবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তরুণীর বাবার কথায়, “আমরা প্রকাশ্যে আসব এবং সবাইকে জানাব যে অন্যায় হয়েছে।”
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের আগস্টে আর জি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনা ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছিল। চিকিৎসক মহল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন প্রতিবাদে সরব হয়। ঘটনার পর থেকেই দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছে পরিবার। তাঁদের দাবি, ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই এখনও শেষ হয়নি।
