এসআইআরের কাজ শেষ। এই মুহূর্তে বিচারাধীন ভোটারদের নিষ্পত্তির কাজও প্রায় শেষ পর্যায়। আর তাতেও বিস্তর গন্ডগোল। যাবতীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও অতিরিক্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে যাওয়ায় অনেকেই মেনে নিতে পারছে না। কেউ কেউ ভোটাধিকার হারানোর ধাক্কা সামলাতে না পেরে চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছেন। যত সময় যাচ্ছে, মৃত্যুর ঘটনা বেড়েই চলেছে। তাতে যুক্ত হয়েছে বীরভূমের নলহাটির বাসিন্দা আনারুল শেখের নাম। অভিযোগ, অতিরিক্ত ভোটার তালিকায় নিজের নাম মুছে যেতে দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারেননি। পরিবারের অভিযোগ, বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। আনারুলের মৃত্যুতে ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের অভিযোগ, এসআইআরের নামে সঠিক ঝাড়াই-বাছাই ছাড়াই নাম বাদ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এমনটা চলতে থাকতে তাঁরা ভোট বয়কট করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এই ঘটনায় গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ার নামে সাধারণ মানুষের নাম নির্বিচারে বাদ দেওয়া হচ্ছে। আর সেই চাপেই প্রাণ যাচ্ছে সাধারণ নিরীহ মানুষের। এলাকাবাসী সরাসরি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের দাবি, সঠিক যাচাই-বাছাই ছাড়াই নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, যার ফলেই এই ধরণের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি না বদলালে ভোট বয়কট করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩২ বছরের মৃত আনারুল শেখ নলহাটি পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ভোটার তালিকায় তাঁর নাম এতদিন 'বিচারাধীন' ছিল। সেই সংক্রান্ত নোটিস পাওয়ার পর তিনি সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা করেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে আনারুল শেখ আপিল করতে রামপুরহাট মহকুমা অফিসে যান। কিন্তু সেখানে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে না পারায় তিনি মানসিক চাপে ভেঙে পড়েন বলে জানাচ্ছেন বাড়ির সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, বাড়ি ফিরে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন আনারুল শেখ। ঘটনার সঙ্গে তড়িঘড়ি তাঁকে নলহাটির প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকরা তাঁকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করেন। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পথেই আনারুল শেখের মৃত্যু হয়।
মৃত আনারুল শেখের পরিবারে দুই ছেলে রয়েছে। তাঁর আকস্মিক ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পাশাপাশি ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ার নামে সাধারণ মানুষের নাম নির্বিচারে বাদ দেওয়া হচ্ছে। আর সেই চাপেই প্রাণ যাচ্ছে সাধারণ নিরীহ মানুষের। এলাকাবাসী সরাসরি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের দাবি, সঠিক যাচাই-বাছাই ছাড়াই নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, যার ফলেই এই ধরণের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি না বদলালে ভোট বয়কট করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়া।
