এনএসজির পোশাকে ভোটপ্রচারে বেরিয়ে বিতর্কে উত্তরপাড়ার বিজেপি প্রার্থী দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। সমালোচনায় সরব শাসক শিবির তৃণমূল। এভাবে ভোটপ্রচারে বেরিয়ে আদতে সেনাবাহিনীকে অসম্মান করেছে গেরুয়া শিবির, দাবি ঘাসফুল শিবিরের। এই বিষয়ে যদিও পদ্ম শিবিরের প্রার্থী কিংবা অন্য কারও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রবিবার নিজের বিধানসভা এলাকায় প্রচার সারেন দীপাঞ্জন। কখনও হুডখোলা গাড়িতে চড়ে কিংবা কখনও পায়ে হেঁটে জনসংযোগ সারেন তিনি। উত্তরপাড়ার বিজেপি প্রার্থীর পরনে ছিল এনএসজির পোশাক। একজন প্রাক্তন সেনা অফিসার কীভাবে এনএসজির পোশাক পরে নির্বাচনী প্রচারে বেরলেন তা দেখে হতবাক প্রায় সকলে। তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে নিজেকে প্রাক্তন এনএসজি এবং র এজেন্ট বলেও পরিচয় দিচ্ছেন। তিনি জনসাধারণের উদ্দেশ্যে বলেন, র এজেন্ট থাকাকালীন তিনি পঞ্চাশটির বেশি এনকাউন্টার করেছেন। এইভাবে একজন প্রাক্তন এনএসজি কর্তা ভোটপ্রচার করতে পারেন না বলেই দাবি বেশিরভাগ মানুষের।
এই বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে জোর চাপানউতোর। উত্তরপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "এতদিন জানা ছিল বিজেপি ইডি, সিবিআই, নির্বাচন কমিশনের মতো নিরপেক্ষ সংস্থাকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে। এখন দেখা যাচ্ছে এনএসজিকে-ও ব্যবহার করছে। আমরা এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবো।" তিনি আরো বলেন, "বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনী প্রচারে দীপাঞ্জন চক্রবর্তী নিজেকে যেভাবে র এজেন্ট বলে পরিচয় দিচ্ছে সেটা সার্ভিস সিক্রেসি অ্যাক্টের পরিপন্থী।" কল্যাণপুত্র শীর্ষণ্যর হুঁশিয়ারি, "উনি আগে তিন না চার হবে নির্বাচনে সেটা ঠিক করুন। সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজনের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তাঁরা ওঁর এই জোকারগিরি নিয়ে বীতশ্রদ্ধ। উনি লোকের বাড়িতে গিয়ে লাউ-চিংড়ি রান্না করছেন। সেই লাউ-চিংড়ি খেয়ে মানুষ ওঁকে ভোট দেবে কিনা সেটা ঠিক করুন।" যদিও পালটা পদ্ম শিবিরের প্রার্থী কিংবা অন্য কারও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
