এসআইআরের কাজে যাওয়া বিচারকদের রাতভর বিডিও অফিসে আটকে রেখে শোরগোল ফেলা মোথাবাড়ির ঘটনার তদন্তে নেমে প্রথম গ্রেপ্তার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। জানা যাচ্ছে, ধৃত গ্রাম পঞ্চায়েতের আইএসএফ সদস্য গোলাম রব্বানি। এর আগে রাজ্য পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া মিমের সদস্য মোফাক্কেরুল ইসলামে সূত্র ধরেই গোলাম রব্বানিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে প্রাথমিক খবর। সূত্রের খবর, তাকে কলকাতায় নিয়ে এসে আদালতে পেশ করা হবে। এনআইএ গোয়েন্দাদের মত, গোলাম রব্বানিকে গ্রেপ্তারির পর জেরা করে এই ঘটনার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলবে।
মোথাবাড়ির ঘটনার তদন্তে নেমে প্রথম গ্রেপ্তার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। জানা যাচ্ছে, ধৃত গ্রাম পঞ্চায়েতের আইএসএফ সদস্য গোলাম রব্বানি। এর আগে রাজ্য পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া মিমের সদস্য মোফাক্কেরুল ইসলামে সূত্র ধরেই গোলাম রব্বানিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে প্রাথমিক খবর। এছাড়া আটক করা হয়েছে মোথাবাড়ির কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম চৌধুরী ও কয়েকজন কংগ্রেস সদস্যকে।
এদিকে, মোথাবাড়ির ঘটনায় সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন এখানকার কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম চৌধুরী। জানা যাচ্ছে, তাঁকেও আটক করা হয়েছে। রবিবার সকালে মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম চৌধুরী ওরফে বাবু আলিনগর পঞ্চায়েত এলাকায় ভোট প্রচার করছিলেন। তখনই তিনি এবং কয়েকজন কর্মীকে আটক করা হয় বলে খবর।
মোথাবাড়ির কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম চৌধুরী।
ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদের প্রতিবাদে গত ১ তারিখ রাতে এসআইআরের কাজে যাওয়া বিচারকদের আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ ওঠে। তা জনতার স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ বলা হলেও এর নেপথ্যে উগ্রবাদীদের ইন্ধনের অভিযোগ ওঠে। তদন্তে নেমে মিম, আইএসএফের মতো ইসলামিক রাজনৈতিক দলের যোগ পাওয়া যায়। রাজ্য পুলিশের হাতেই গ্রেপ্তার হয় মিমের সদস্য মোফাক্কেরুল ইসলামকে। তাঁর বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, ঘটনার দিন সুজাপুরের এক সভায় উসকানিমূলক বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। এসআইআরে নাম বাদের প্রতিবাদ জানানোর জন্য জনতাকে উসকেছিলেন মোফাক্কেরুল। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের হয়।
মোফাক্কেরুলকে জেরা করেই আইএসএফের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য গোলাম রব্বানির খোঁজ মেলে। এবং মোথাবাড়িতে অশান্তির ঘটনায় তাঁর যোগ আছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পারে তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। সেই কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোলাম রব্বানিকে আদালতে পেশের পর নিজেদের হেফাজতে নিয়ে এই ঘটনায় আরও কারা জড়িত, তা জানতে মরিয়া তদন্তকারীরা।
