নিশানায় খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর উপর হামলার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছিল! তবে সেই নীল নকশা ছিন্নভিন্ন করে শুক্রবার বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিং এলাকার জিম থেকে জইশ জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচির খুঁটিনাটি উদ্ধার করা হয়েছে। আর তা থেকেই স্পষ্ট, মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে যাবতীয় তথ্য ছিল তার নাগালে। ছেলের উপর এমন জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্র নিয়ে এবার মুখ খুললেন শুভেন্দু অধিকারীর বাবা, প্রাক্তন সাংসদ শিশির অধিকারী। কাঁথির শান্তিকুঞ্জে বসে তিনি আরও বড় সাবধানবাণী শোনালেন। বললেন, ‘‘বাংলাদেশ থেকে কয়েকজন জঙ্গি ঢুকেছে। তাদের নির্দিষ্ট টার্গেট প্রধানমন্ত্রী মোদিজি ও এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এসটিএফ তা রুখে দিয়েছে।''
মুখ্যমন্ত্রীর বাবা তথা বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শিশির অধিকারীর প্রতিক্রিয়া, ‘‘জানতাম এমনটা হবে। আগেই ভারত সরকারের সিক্রেট সার্ভিস এনিয়ে আমাদের সতর্ক করেছিল। বাংলাদেশ থেকে কয়েকজন জঙ্গি ঢুকেছে। ওরা শুধু মুখ্যমন্ত্রীকে টার্গেট করেছে, তা নয়। প্রধানমন্ত্রী মোদিজিও টার্গেট। আরও অনেকের ক্ষতি করতে চায় ওরা। জঙ্গিরা হায়নার মতো।''
ধৃত জইশ জঙ্গি হামিম মণ্ডলকে নিয়ে এই মুহূর্তে জোর আলোচনা সব মহলেই। কর্মসূত্রে হাওড়ায় ছিল বীরভূমের বাসিন্দা হামিম। সূত্রের খবর, পাকিস্তানে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছে এই জইশ জঙ্গি। মূলত আইএসআইয়ের হ্যান্ডলার হিসেবে কাজ করত সে। বাংলার মাটিতে বসেই মুখ্যমন্ত্রীর উপর হামলার ছক কষেছিল বলে সূত্র হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাবা তথা বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শিশির অধিকারীর প্রতিক্রিয়া, ‘‘জানতাম এমনটা হবে। আগেই ভারত সরকারের সিক্রেট সার্ভিস এনিয়ে আমাদের সতর্ক করেছিল। বাংলাদেশ থেকে কয়েকজন জঙ্গি ঢুকেছে। ওরা শুধু মুখ্যমন্ত্রীকে টার্গেট করেছে, তা নয়। প্রধানমন্ত্রী মোদিজিও টার্গেট। আরও অনেকের ক্ষতি করতে চায় ওরা। জঙ্গিরা হায়নার মতো।''
ছেলের জন্য চিন্তা হয় না? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, শুভেন্দু অধিকারী যেদিন থেকে রাজনীতি করে, সেদিন থেকেই কারও না কারও টার্গেট। মানুষের ভালোর জন্য কাজ করে সাফল্য পেয়েছে বলে তাঁর ক্ষতি চায় অনেকে।
শুধু তাই নয়, এহেন ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার জন্য শিশিরবাবু পুলিশ ও এসটিএফকে পূর্ণ কৃতিত্ব দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমাদের এসটিএফ অত্যন্ত দক্ষ, শক্তিশালী। আমি মনে করি, ওরা সব আটকে দিতে পারে। কিছু কিছু উগ্রপন্থী সংগঠনের লোকজন মুখ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীকে টার্গেট করেছে। তারা ভারতের ক্ষতি চায়। কিন্তু আমাদের নিরাপত্তারক্ষীরা সব রুখে দেবে বলে আমি মনে করি।'' ছেলের জন্য চিন্তা হয় না? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, শুভেন্দু অধিকারী যেদিন থেকে রাজনীতি করে, সেদিন থেকেই কারও না কারও টার্গেট। মানুষের ভালোর জন্য কাজ করে সাফল্য পেয়েছে বলে তাঁর ক্ষতি চায় অনেকে।
