যাত্রী নিয়ে পাহাড়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে টয়ট্রেন। শিলিগুড়ি থেকে রওনা হওয়ার কিছু সময়ের মধ্যেই দেখা দিল বিপত্তি। কামরার মধ্যে থেকে ধোঁয়া বার হতে দেখা গেল। আগুন লাগার আতঙ্ক ছড়াল যাত্রী, পর্যটকদের মধ্যে। কিন্তু কোথা লাগল আগুন? ধোঁয়ার উৎস খুঁজতে গিয়ে সামনে এল 'ম্যান মেড' তত্ত্ব! কেউ বা কারা ধূমপানের কারণেই কি ওই বিপত্তি? অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্কের জেরে বেশ কিছু সময় ওই ট্রেন থমকেছিল। পরে গন্তব্যের জন্য রওনা দেয়।
জানা গিয়েছে, আজ, বুধবার সকালে শিলিগুড়ির এনজেপি স্টেশন থেকে টয়ট্রেন দার্জিলিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। প্রতিদিনের মতো এদিনও পর্যটক, যাত্রীরা ছিলেন ওই ট্রেনে। শিলিগুড়ির টাউন স্টেশনে পৌঁছনোর পর ওই টয়ট্রেনের একটি কামরার মধ্যে থেকে ধোঁয়া বার হতে দেখা যায়। নিমেষে আতঙ্ক ছড়ায় যাত্রীদের মধ্যে। হইচইতে চালকও ট্রেন থামিয়ে দেন। দ্রুত ট্রেনের কাছে ছুটে যান রেলের কর্মীরা। কামরাগুলি থেকে পর্যটকদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়। রেলের ইঞ্জিনটিকে কামরাগুলি থেকে আলাদা করে নিরাপদ দূরত্বে নিয়ে যাওয়া হয়।
কিন্তু কীভাবে ওই ধোঁয়া দেখা গেল? ধোঁয়ার উৎস কী? সেই প্রশ্ন উঠছে। কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়ে কামরায় অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রও ব্যবহার করা হয়। হিমালয়ান রেলওয়ে সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই কামরায় চারজন পর্যটক-যাত্রী ছিলেন। শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিংয়ে তাঁরা যাচ্ছিলেন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, যাত্রীরা চলন্ত ট্রেনে সম্ভবত ধূমপান করছিলেন। তার থেকে ধোঁয়া তৈরি হতে পারে। বৈদ্যুতিক কোনও সমস্যার জন্য কি ধোঁয়া বার হয়েছিল? সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী বলেন, "ধোঁয়া দেখা গিয়েছিল একটি কামড়া থেকে৷ তবে অগ্নিকাণ্ডের কোনও ঘটনা ঘটেনি। ম্যান মেড ধোঁয়া বলেই প্রাথমিক পর্যয়ে মনে করা হচ্ছে৷ প্রাথমিক তদন্ত হয়েছে।" তবে কিছু সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে টয়ট্রেনটি দার্জিলিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
