অর্ণব দাস, বারাকপুর: দীর্ঘ জটিলতা শেষে নতুন পুরপ্রধান পেল পানিহাটি পুরসভা। মলয় রায়ের জায়গায় দায়িত্ব পেলেন পার্থ ভৌমিক ঘনিষ্ঠ সোমনাথ দে। দায়িত্ব পেয়েই অমরাবতী মাঠ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন তিনি। সোমনাথ জানান, সরকার-দল যা চাইবে তাই-ই হবে। পাশাপাশি বুঝিয়ে দিয়েছেন বিরোধীদের নিয়ে বিন্দুমাত্রও চিন্তিত নন তিনি।

অমরাবতীর মাঠ বিক্রি বিতর্কের অভিযোগে চেয়ারম্যানের পদ হারিয়েছেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান মলয় রায়। বহু টালবাহানার পর ‘মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ’লেখা পানিহাটি পুরসভার চেয়ারম্যানের ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়। গত সোমবার বোর্ড মিটিংয়ে কাউন্সলরদের সর্বসম্মতিক্রমে পদত্যাগ করেন মলয় রায়। নিয়ম মেনে আজ, ২১ মার্চ ফের বোর্ড অফ কাউন্সিলরের বৈঠক ডাকেন ভাইস চেয়ারম্যান সুভাষ চক্রবর্তী। এদিনের বৈঠকে মলয় রায় বাদে বাকি সব কাউন্সিলরই ছিলেন। সর্বসম্মতিক্রমে পানিহাটি পুরসভার পুরপ্রধানের দায়িত্ব পেলেন সোমনাথ দে। মলয় রায়ের আমলে পূর্ত বিভাগের চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল ছিলেন তিনি।
এদিন সোমনাথ দে বলেন, "দলের নির্দেশ মেনে কাজ করব।" তিনি আরও বলেন, "বিরোধীরা কী বলল তা নিয়ে চিন্তিত নই। আমি আমার কাজ করব।" অমরাবতী মাঠ নিয়ে নিজের অবস্থানও স্পষ্ট করলেন সোমনাথ। বললেন, রাজ্য যা চাইবে তাই হবে। উল্লেখ্য, নাগরিক পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগের পাশাপাশি সোদপুরের ‘ফুসফুস’অমরাবতী মাঠে আবাসন তৈরির চক্রান্তের অভিযোগ সামনে আসতেই প্রাক্তন চেয়ারম্যান মলয় রায় কোণঠাসা হয়ে যান। একপর্যায়ে গোটা ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মলয় রায়কে পদত্যাগ করার কথা জানিয়েছিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।