shono
Advertisement
South Dinajpur

বহু জায়গায় দরবারেও মেলেনি! নিজের টাকায় পড়ুয়াদের জন্য পাকা রাস্তা নির্মাণ প্রধান শিক্ষকের

কারও জন্য অপেক্ষা নয়! শুধু বিদ্যালয় ও পড়ুয়াদের স্বার্থে নিজের গাঁটের কড়ি খরচ করে পাকা রাস্তা নির্মাণ করলেন প্রধান শিক্ষক। হিলি চক্রের অন্তর্গত বিনশিরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ইসমাইলপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবকুমার লাহার মহতি উদ্যোগকে স্যালুট অবিভাবকদের।
Published By: Suhrid DasPosted: 06:37 PM Jun 06, 2026Updated: 06:37 PM Jun 06, 2026

কারও জন্য অপেক্ষা নয়! শুধু বিদ্যালয় ও পড়ুয়াদের স্বার্থে নিজের গাঁটের কড়ি খরচ করে পাকা রাস্তা নির্মাণ করলেন প্রধান শিক্ষক। হিলি চক্রের অন্তর্গত বিনশিরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ইসমাইলপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবকুমার লাহার মহতি উদ্যোগকে স্যালুট অবিভাবকদের। জানা গিয়েছে, নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ওই বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রী মিলিয়ে ৫৭ জন পড়ুয়া। এছাড়া প্রধান শিক্ষক-সহ ২ জন শিক্ষিকা রয়েছেন।

Advertisement

ওই বিদ্যালয়ের সদর দরজা থেকে বিদ্যালয় ভবন পর্যন্ত কোনও ধরণের রাস্তা ছিল না। ফলে ঘাসের মধ্যে দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াত করতে হত। বর্ষায় জল ও কাঁদামাটি দিয়ে যাতায়াত দূর্বিসহ হয়ে পরত। ওই টুকু জায়গায় একটি রাস্তা নির্মাণের জন্য স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে ব্লক প্রশাসনের কাছে দরবার করেছিল বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তাতে কোনও সুরাহা হয়নি। অবশেষে নিজের ৩৫ হাজার টাকা ব্যয় করে ৪০ মিটার লম্বা এবং ৪.৫ ফুট চওড়া সিমেন্ট কংক্রিটের রাস্তা তৈরি করিয়েছেন প্রধান শিক্ষক দেবকুমার লাহা। প্রশংসায় পঞ্চমুখ অবিভাবক থেকে পড়ুয়ারা। 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবকুমার লাহা বলেন, "২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে স্কুলের প্রধান শিক্ষক হয়ে এসেছি। স্কুলের অবস্থা ভালো ছিল না। দেড় বছরের কিছু কাজ হয়েছে। আরও কিছু কাজ ভাবনার মধ্যে রয়েছে। অনেক কাজ বাকি রয়েছে। ঘরের সিলিং খুলে পড়ছে। শৌচালয় ও স্কুল ভবন সংস্কারের জন্য আমরা প্রশাসনিক মহলে দরবার করেছি।"

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবকুমার লাহা বলেন, "২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে স্কুলের প্রধান শিক্ষক হয়ে এসেছি। স্কুলের অবস্থা ভালো ছিল না। দেড় বছরের কিছু কাজ হয়েছে। আরও কিছু কাজ ভাবনার মধ্যে রয়েছে। অনেক কাজ বাকি রয়েছে। ঘরের সিলিং খুলে পড়ছে। শৌচালয় ও স্কুল ভবন সংস্কারের জন্য আমরা প্রশাসনিক মহলে দরবার করেছি।" তিনি আরও বলেন, "রাস্তাটির জন্য জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। বাচ্চাদের যাতায়াতের সুবিধার এবং নানন্দিকতার দিকে তাকিয়ে রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়েছে। শিক্ষকের স্কুল সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা রয়েছে। শিক্ষক হিসেবে এইটুকু দায়িত্ব নিতে পেরে আমি খুশি।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement