আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে লিফটে আটকে মৃত্যুর ঘটনার রেশ এখনও কাটেনি। এই আবহে শনিবার তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে লিফট ব্যবহার নিয়ে ঝামেলার জেরে হাসপাতালের এক কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল। মারধরে ওই কর্মীর মাথা ফেটেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি মদ্যপ ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জখম কর্মী।
জখম কর্মীর নাম গৌতম বালা। তিনি তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালের গ্রুপ-ডি কর্মী। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার এক অসুস্থ শিশুকে নিয়ে দোতলায় শিশু বিভাগে যাওয়ার জন্য লিফটের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন গৌতম। সেই সময় সেখানে উপস্থিত অন্য এক রোগীর আত্মীয় দাবি করেন, আগে তাঁকে তৃতীয় তলায় পৌঁছে দিতে হবে। এই নিয়ে দু'জনের মধ্যে তুমুল বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, ঘটনার সময় রোগীর ওই আত্মীয় মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। দাবি না মানায় আচমকা গৌতমের উপর চড়াও হন তিনি। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। মারধরের কারণে মাথা ফেটে যায় গৌতমের। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ওই হাসপাতালেই ভর্তি করেন অন্য কর্মীরা। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার পরই অভিযুক্ত ব্যক্তি হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। ঘটনার পর তেহট্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, শুক্রবারই আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের লিফটে আটকে দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই লিফট ব্যবহার নিয়ে রাজ্যের আর একটি সরকারি হাসপাতালে উত্তেজনা তৈরি হল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্তের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।
