সদ্য পিতৃবিয়োগ হয়েছে। এমতাবস্থায় খোদ তৃণমূল 'সেনাপতি' তাঁকে সর্বক্ষণ সঙ্গ দিয়েছেন। সেই থেকেই জল্পনা উসকে উঠেছিল, বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে বীজপুর কেন্দ্রে হয়ত প্রার্থী হবেন প্রয়াত মুকুল রায়ের ছেলে শুভ্রাংশু। কিন্তু প্রার্থী তালিকায় কোথাও তাঁর নাম নেই। তবে তা নিয়ে মোটেও আক্ষেপ নেই শুভ্রাংশু রায়ের (Subhranshu Roy)। বরং পিতৃশোক ভুলে দলীয় প্রার্থী সুবোধ অধিকারীর সমর্থনে প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়লেন তিনি। বললেন, “৪০ হাজারের বেশি লিড হবে। সুবোধদা অবিশ্বাস্য দৃষ্টান্ত হবে। মিটিং-মিছিল হবে, কিন্তু আসল কাজ বুথে। সবাইকে নিজের নিজের বুথ আঁকড়ে থাকতে হবে। বুথ ঠিক থাকলে সুবোধদা বাড়িতে বসেই জিতে যাবে।”
পিতৃশোক ভুলে দলীয় প্রার্থী সুবোধ অধিকারীর সমর্থনে প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়ে শুভ্রাংশু রায় বললেন, “৪০ হাজারের বেশি লিড হবে। সুবোধদা অবিশ্বাস্য দৃষ্টান্ত হবে। মিটিং-মিছিল হবে, কিন্তু আসল কাজ বুথে। সবাইকে নিজের নিজের বুথ আঁকড়ে থাকতে হবে। বুথ ঠিক থাকলে সুবোধদা বাড়িতে বসেই জিতে যাবে।”
শুক্রবার হালিশহর পুরসভার লোকসংস্কৃতি ভবনে বীজপুরের তৃণমূল প্রার্থী সুবোধ অধিকারীর প্রচার কৌশল স্থির করতে কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে হাজির হন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায়। নিজের প্রার্থী হওয়া নিয়ে সমস্ত জল্পনার জবাব দিয়ে শুভ্রাংশু বলেন, “দল যাকে প্রার্থী করবে, আমরা তার পক্ষেই ঝাঁপাবো। আমরা এক এবং অবিচল থাকব তৃণমূলের জন্য। প্রার্থী নিয়ে সবারই আশা-আকাঙ্ক্ষা থাকে। আমি বা সুবোধদা কেউই তার বাইরে নই। তবে আবার এনিয়ে অনেকে অনেক কথা বলবে। কিন্তু আমরা এক থাকব।”
বীজপুরের তৃণমূল প্রার্থী সুবোধ অধিকারী। নিজস্ব ছবি
মঞ্চে উপস্থিত সাংসদ পার্থ ভৌমিকের উদ্দেশে ‘লাল বাতি’র প্রসঙ্গ তোলেন শুভ্রাংশু। বলেন, “পার্থদার কাছে অনুরোধ, বারাকপুর বেল্টে নীল বাতি অনেক দেখছি, কিন্তু লাল বাতি অনেকদিন নেই। বীজপুর থেকে যেন এবার একটা লাল বাতি নবান্নে যায়।” রাজনৈতিক মহলের মতে, সুবোধ অধিকারী জিতলে এবার যাতে মন্ত্রিত্ব পান, সাংসদের কাছে সেই আবেদনই জানিয়েছেন শুভ্রাংশু। এ নিয়ে বীজপুরের প্রার্থী সুবোধ অধিকারীর মন্তব্য, "আমাকে দ্বিতীয়বার প্রার্থী করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ। আশা করি শুভ্রাংশু রায়ের কথা মিলে যাবে। চল্লিশ হাজারের বেশি ব্যবধানে বীজপুরে তৃণমূল জিতবে।"
