বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে জখম হয়েছিল মেয়েই। সেই ঘটনার এবার পুলিশের জালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম (Shamsul Islam Arrested)। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ।
নন্দীগ্রাম এলাকায় কার্যত ত্রাস শামসুল ইসলাম। নিজের বাড়িতে বোম বাঁধার সময় ঘটেছিল বিস্ফোরণ। তাতে জখম হয়েছিল শামসুলের মেয়ে। সেই ঘটনার তদন্ত চললেও অভিযুক্তকে নাগালে পাচ্ছিল না পুলিশ। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শুক্রবার সকালে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় নন্দীগ্রাম হাসপাতালে। সেখানে তাঁকে দেখে ডিম ছোড়ে উত্তেজিত জনতা। ধৃতকে আদালতে তোলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, তমলুক-ঘাটাল কার্ড ব্যাঙ্ক নির্বাচনের দিন নন্দীগ্রামের কাঞ্চননগর দিদারউদ্দিন হাই স্কুলের সামনে ব্যাপক বোমাবাজি হয়েছিল। মুড়ি-মুড়কির মতো পড়েছিল বোমা। আহত হয়েছিলেন বিজেপির বেশ কয়েকজন নেতা ও কর্মী। তার মধ্যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। ঘটনার ভয়াবহতা বিচার করে তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএর হাতে। ওই ঘটনায়ও দীর্ঘদিন ধরে তদন্তকারীদের নজরে দাউদপুরের বাসিন্দা তথা পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম। উল্লেখ্য, শুধুমাত্র বোমাবাজি নয়, ধৃতের বিরুদ্ধে আরও ভুরি ভুরি অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ দীর্ঘদিনের। পালাবদল হতেই তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলছে আমজনতা। দিকে দিকে গ্রেপ্তার হচ্ছেন মমতার নেতারা। এবার তালিকায় শামসুল।
