শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: আত্মহত্যা নাকি খুন? জলপাইগুড়িতে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। বিন্নাগুড়ি ফাঁড়ির পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
নিহত সীমা দাস, জলপাইগুড়ির সাকোয়াঝোরা ১ নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতের ১৪/২২১ পার্টের পঞ্চায়েত সদস্য। তিনি সাকোয়াঝোরা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তেলিপাড়ার জগদীশ কলোনির বাসিন্দা ছিলেন। বুধবার সকালে নিজের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। সেই সময় ঘরের দরজা খোলা ছিল। আত্মহত্যা নাকি খুন, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই ধোঁয়াশা দানা বেঁধেছে।
[আরও পড়ুন: রয়েছে হামলার আশঙ্কা, কেন্দ্রের নির্দেশে জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা রাজ্যপালকে]
এদিকে, এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিন্নাগুড়ি ফাঁড়ির পুলিশ কর্মীরা। পঞ্চায়েত সদস্যার দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে যান পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সীমা চৌধুরী এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। কী কারণে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার মৃত্যু হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয় সূত্রে খবর, সম্প্রতি মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন সীমাদেবী। তার ফলে কয়েক হাজার টাকা ঋণও হয়ে গিয়েছিল তাঁর। ভুগছিলেন মানসিক অবসাদে। তাতেই এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও মনে করছেন অনেকে। তবে পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
