shono
Advertisement

সম্পর্কে অবনতি, ১২৪ বছরের রীতিতে ছেদ! মেদিনীপুরের উরশে আসছে না বাংলাদেশের বিশেষ ট্রেন

দু'দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার মেদিনীপুরের উরশে অংশ নেওয়ার জন‌্য কোনওরকম পদক্ষেপই করেনি বাংলাদেশ স্থিত আঞ্জুমান ই কাদেরিয়া কমিটি।
Published By: Subhankar PatraPosted: 08:32 PM Feb 11, 2026Updated: 08:50 PM Feb 11, 2026

আগামিকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে ভোট। সাম্প্রতিক কালে বিভিন্ন ইস্যুতে দু'দেশের সম্পর্ক কিছুটা তলানিতে ঠেকেছে। দু'দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার মেদিনীপুরের উরশে অংশ নেওয়ার জন‌্য কোনওরকম পদক্ষেপই করেনি বাংলাদেশ স্থিত আঞ্জুমান ই কাদেরিয়া কমিটি।

Advertisement

ধর্মীয় এই সংস্থাটি বরাবর উরশ স্পেশাল এই বিশেষ ট্রেনটিকে বাংলাদেশের রাজবাড়ি থেকে মেদিনীপুর আনার দায়িত্বে থাকে। ১২৪ বছরের ইতিহাসে এনিয়ে মোট ছ'বার তাদের ট্রেন যাত্রায় ছেদ পড়ল। আঞ্জুমান ই কাদেরিয়ার সভাপতি মহম্মদ মহবুব উল আলম বলেছেন, "সার্বিক পরিস্থিতি চিন্তা করে পুন‌্যার্থীদের নিয়ে মেদিনীপুর না যাওয়ারই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আশা করা যায় আগামী বছর আমরা যেতে পারব।" দু'দেশের মৈত্রীর বন্ধন সুদৃঢ় হওয়ার আশা করছেন তাঁরাও।

প্রতি বছরই মেদিনীপুর শহরের জোড়া মসজিদে বাংলার ফাল্গুন মাসের ৪ তারিখ মহান সুফী সাধক সৈয়দ শাহ মুর্শেদ আলি আলকাদেরী আলবাগদাদী তথা মওলাপাকের উরশ পালিত হয়। এবছর ১২৫ তম উরশ ফেব্রুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে। উরশকে কেন্দ্র করে মেদিনীপুরে দেশ বিদেশের লক্ষাধিক মানুষ হাজির হন। মির্জামহল্লা জোড়া মসজিদ ও মাঝার এলাকায় তখন পা ফেলাটাই দুস্কর। তবে দেশের বাইরে সবথেকে বেশি ভক্তসমাগম হয় প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ থেকেই। প্রায় প্রতি বছরই দুই সহস্রাধিক পুন‌্যার্থী নিয়ে বাংলাদেশের রাজ‌বাড়ি থেকে একটি বিশেষ ট্রেনও আসে মেদিনীপুরে। পরিচালনায় থাকে আঞ্জুমান ই কাদেরিয়া নামক ওই ধর্মীয় সংস্থা।

বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা তুঙ্গে। সংখ‌্যালঘু নিপীড়ন থেকে শুরু করে নানান ইস‌্যু তৈরি হয়। গত বছরও দুই দেশের টানাপোড়েনে পুন‌্যার্থীদের আসা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। শেষমেশ অনুমতি মেলেনি। এবছরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং জটিলতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আর দু'দেশের সরকারের কাছে এবিষয়ে আবেদনই করেননি উদ‌্যোক্তারা। মহবুববাবু বলেছেন, "দুই দেশের মধ‌্যে মেলবন্ধনের কাজ করে থাকি আমরা। মাঝে মুক্তিযুদ্ধ ও করোনার সময় মোট চারবছর স্পেশাল ট্রেন নিয়ে আসা যায়নি। গতবছর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু সফল হইনি। এবছরও আমরা যাচ্ছি না।" আগামী বছর সবকিছু স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় আছেন তাঁরা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement