shono
Advertisement

স্বামী পরিচয় দিয়ে ভরতি, মৃত্যুর পর আচমকা উধাও পরিজন

বিল মিটিয়েও হাসপাতালে পচছে দেহ, রহস্য জোরাল। The post স্বামী পরিচয় দিয়ে ভরতি, মৃত্যুর পর আচমকা উধাও পরিজন appeared first on Sangbad Pratidin.
Posted: 06:08 PM Mar 10, 2018Updated: 01:55 PM Sep 13, 2019

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: অগ্নিদগ্ধ অন্তঃসত্তা এক যুবতীর মৃতদেহ সৎকারের অপেক্ষায় পড়ে রয়েছে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে। অভিযোগ হাসপাতালের মোটা টাকার বিল মেটানোর পরেও যুবতীর মৃতদেহ নিচ্ছেন না আত্মীয় স্বজনরা। যারা চিকিৎসার জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন তাদের কোনও খোঁজ নেই। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত ওই যুবতীর নাম পায়েল চট্টোপাধ্যায় (২৫)। তাঁর বাড়ি বাঁকুড়া সদর থানার কাঠজুড়িডাঙায়।

Advertisement

[মাইকেল মধুসূদন দত্তর মূর্তির মুখে লাল রঙ, তীব্র ক্ষোভ রানিগঞ্জে]

অগ্নিদগ্ধ ওই মহিলাকে স্বামী পরিচয় দিয়ে দুর্গাপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়েছিল। যিনি স্বামী পরিচয় দিয়েছিলেন তাঁর নাম সারথি চট্টোপাধ্যায়। বাঁকুড়া শহরের কাঠজুড়িডাঙার এলাকার তিনি বাসিন্দা। পেশায় রং ব্যবসায়ী। সারথি আবার কো–অর্ডিনেশন কমিটির নেতা লক্ষ্মী চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে খবর  ওই যুবতী অগ্নিদগ্ধ হয় গত ১ মার্চ। ঘটনার পরই তাঁর অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় দুর্গাপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে। গত ৬ মার্চ ওই যুবতীর মৃত্যু হয় ওই বেসরকারি হাসপাতালে। তারপরই পায়েলদেবীর চিকিৎসার খরচ বাবদ মোটা টাকার বিল মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারপর থেকে উধাও হয়ে গিয়েছেন পায়েলদেবীর আত্মীয়স্বজন। মৃত্যুর দিন থেকেই সৎকারের অপেক্ষায় মৃতদেহ পড়ে রয়েছে দুর্গাপুর মর্গে। শুক্রবার মৃতদেহটি ময়নাতদন্ত হয়। এ প্রসঙ্গে খোঁজ নিতে বাঁকুড়ার কাঠজুড়িডাঙার ওই বাসিন্দা সারথি চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল বাড়ির দরজায় তালা ঝুলছে। স্থানীয়দের একাংশ ওই যুবতীর অগ্নিদগ্ধ হওয়ার কথা স্বীকার করলেও মহিলার পরিচয় জানাতে পারেননি কেউই। ঘটনাটি নিয়ে ধন্দ্বে রয়েছেন সকলে। কোনওভাবেই যোগাযোগ করা যায়নি সারথিবাবুর সঙ্গে।

[উলটপুরাণ! পঠনপাঠন ছেড়ে মিড ডে মিলের রান্নার জোগাড়ে পড়ুয়ারা]

প্রশ্ন উঠেছে কে ওই মহিলা? ওই মহিলার আসল পরিচয় কী? কেন স্বামী পরিচয় দিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা বাবদ মোটা টাকার বিল মেটানো সত্ত্বেও মৃতদেহ কেন কেউ নিচ্ছেন না? ঘটনাটি নিয়ে রহস্য দেখছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দুর্গাপুরের ওই বেসরকারি হাসপাতাল খবর দেয় বাঁকুড়া পুলিশ সুপার সুখেন্দু হীরাকে। পুলিশ সুপার জানান, পুলিশ ওই বাড়িতে যায়। চট্টোপাধ্যায় পরিবারের কেউ নেই। সেই কারণেই ওই মহিলার বাপেরবাড়ির ঠিকানা তদন্তকারীরা জানতে পারছেন না। বিষয়টি নিয়ে আমরা খোঁজ করছি। সুখেন্দুবাবুর দাবি সারথিবাবুর বিবাহিত স্ত্রী মৃত ওই মহিলা। তবে সারথিবাবুর বিবাহিত হওয়ার খবর শুনে তাজ্জব প্রতিবেশীদের একাংশ। তারা বলছেন গত কয়েক মাস ধরে ওই যুবতীকে চট্টোপাধ্যায় পরিবারে থাকতে দেখা গিয়েছে। তবে তাঁকে নিকট আত্মীয়র মেয়ে হিসাবেই পরিচয় দিতেন সারথিবাবুর অভিভাবকরা। ছেলের বিবাহিত স্ত্রী, কখনও এমন কিছু বলেননি লক্ষ্মীবাবুরা। এতেই রহস্য দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

The post স্বামী পরিচয় দিয়ে ভরতি, মৃত্যুর পর আচমকা উধাও পরিজন appeared first on Sangbad Pratidin.

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার