‘দিদিকে বিদায় দিন, তবে ধুমধাম করে’, আউশগ্রামে নতুন সুর শাহর মুখে

05:12 PM Apr 17, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এতদিন রীতিমতো তেড়েফুঁড়ে আক্রমণ চলছিল। সুর ছিল সপ্তমে। কিন্তু পঞ্চম দফার ভোটের দিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Amit Shah) একটু অন্যরকম সুরে বিঁধলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বলে দিলেন, “২ মে বাংলা থেকে দিদির বিদায় তো নিশ্চিত। তবে, দিদিকে বিদায় দিন ধুমধাম করে।” অমিত শাহ মেনে নিলেন, “মমতা (Mamata Banerjee) দিদি অনেক বড় নেত্রী। তাই ওঁকে ধুমধাম করেই বিদায় জানানো উচিত।”

Advertisement

ধুমধাম করে বিদায় মানে কী বোঝাতে চাইলেন? সেটা অবশ্য সঙ্গে সঙ্গেই পরিষ্কার করে দিয়েছেন শাহ। জানিয়ে দিয়েছেন,”মমতা দিদি অনেক বড় নেত্রী। ১০ বছর ধরে বাংলার মতো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন তিনি। এ হেন নেত্রীর বিদায় একটু সম্মানের সঙ্গে হওয়া উচিত। একটু ধুমধামের সঙ্গে হওয়া উচিত।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্পষ্ট কথা, “বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর বিদায় তখনই ধুমধাম করে হবে, যখন বাংলায় বিজেপি (BJP) দুশোর বেশি আসন পাবে।” বাংলার ভোটারদের কাছে শাহর অনুরোধ,”মমতার বিদায় নিশ্চিত করার জন্য বিজেপিকে দু’শোর বেশি আসনে জেতান।” আউশগ্রামের পাশাপাশি শনিবার আরও দুটি রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল শাহর। আমডাঙায় রোড শো এবং নদিয়ার চাপড়ায় জনসভা। দুটি জনসভা থেকেই রাজ্যের শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেন শাহ। রাজ্যের ভোটপ্রচারে প্রথম থেকেই অনুপ্রবেশ, মতুয়াদের নাগরিকত্বের মতো ইস্যুকে হাতিয়ার করেছেন শাহ। রাজ্যে আগামী তিন দফার ভোটের ক্ষেত্রেও বাড়তি গুরুত্বপূর্ণ মতুয়া ভোটব্যাংক। তাই এদিনের জোড়া সভা থেকেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনকে হাতিয়ার করেন শাহ। তাঁর স্পষ্ট দাবি, বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে CAA কার্যকর করা কেউ আটকাতে পারবে না। সীমান্তের ওপার থেকে অনুপ্রবেশকারীরা তো দূরের কথা, কোনও পাখিও এপ্রান্তে আসতে পারবে না।

[আরও পড়ুন: ‘চার দফা ভোটদান, তৃণমূল খানখান’, আসানসোল থেকে ফের তৃণমূল বিদায়ের ডাক মোদির]

তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন মমতার পাশাপাশি রাহুল গান্ধীকেও (Rahul Gandhi) আক্রমণ করতে শোনা গেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। দিন কয়েক আগে রাজ্যে ভোটপ্রচারে এসে বিজেপি তথা আরএসএসকে তীব্র আক্রমণ শানান প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি। প্রশ্ন তোলেন বিজেপির ডিএনএ নিয়ে। যার জবাবে শাহ এদিন পালটা কংগ্রেস নেতাকে কোণঠাসা করলেন। তাঁর বক্তব্য, “ভোট অর্ধেক মিটে যাওয়ার পর পর্যটকের মতো রাহুল বাবা এসেছিলেন বাংলায়।” বিজেপির ডিএনএ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে শাহর সপাট যুক্তি,”ইটালির সংস্কৃতি ভুলে বাংলার দিকে তাকান। আমাদের DNA দেখতে পাবেন। আমাদের ডিএনএ মানে ডেভেলপমেন্ট, বিকাশ, আত্মনির্ভর ভারত।”

Advertisement
Next