আগামী ২৯ আগস্ট বীরভূম সফরে আসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম তাঁর বীরভূম সফর। সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই তৎপরতা শুরু করেছে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। তাঁর সফরের আগে বৃহস্পতিবার তারাপীঠ সংলগ্ন কর্কড়িয়া সরস্বতী বিদ্যামন্দিরের মাঠে তৈরি অস্থায়ী হেলিপ্যাড পরিদর্শন করলেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা।
এদিন হেলিপ্যাড পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন বীরভূমের জেলাশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, রামপুরহাট মহকুমাশাসক, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক, স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক, দমকল বিভাগের আধিকারিক-সহ প্রশাসনের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্তা। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা, তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বীরভূম জেলা মহিলা মোর্চার সভানেত্রী রেশমি দে।
মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগে পরিদর্শনে পুলিশ। ছবি: সুশান্ত পাল
অস্থায়ী হেলিপ্যাড পরিদর্শনের পর প্রশাসনিক আধিকারিকরা তারাপীঠ মন্দির ও সংলগ্ন এলাকাও ঘুরে দেখেন। মুখ্যমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তারাপীঠের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার প্রথমে হেলিকপ্টারে করে কর্কড়িয়া সরস্বতী বিদ্যামন্দিরের মাঠে অবতরণ করবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি তারাপীঠ মন্দিরে গিয়ে পুজো দেবেন। এরপর রামপুরহাটের রক্তকরবী মঞ্চে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। বৈঠক শেষে বিকেলে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী।
বিধায়ক ধ্রুব সাহা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর আগামী ২৯ আগস্ট প্রথমবার বীরভূম সফরে আসছেন শুভেন্দু অধিকারী। সামনে কৌশিকী অমাবস্যা। সেই সময় মানুষকে ভরসা জোগাতেই তাঁর এই সফর। সফরে যাতে কোনও রকম খামতি না থাকে, সেই কারণেই প্রশাসনের এই পরিদর্শন।”
মুখ্যমন্ত্রীর সফরের পাশাপাশি সামনে কৌশিকী অমাবস্যা। ফলে তারাপীঠে ভক্ত ও পর্যটকদের ভিড় বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, দমকল ব্যবস্থা এবং যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ নিয়েও প্রশাসনের তরফে প্রস্তুতি চলছে।
