জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডলের মতো হাওড়ায় (Howrah) এক জন নেই! হাওড়ার অলিতে গলিতে এরকম অনেক হামিম মণ্ডল আছে। পুলিশ তাদের খুঁজে বার করুক। মঙ্গলবার হাওড়ায় এভাবেই আশঙ্কা প্রকাশ করে পুলিশকে সর্তক করলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা উত্তর হাওড়ার বিধায়ক উমেশ রাই। একই সঙ্গে এ দিন মন্ত্রী দাবি করেন, এরকম হামিম মণ্ডলদের চিহ্নিত করে পুলিশ ওদের ডেরায় হানা দিলেই মজুত করে রাখা প্রচুর বেআইনি অস্ত্র পাওয়া যাবে।
মঙ্গলবার হাওড়া পুরসভায় এক সাংবাদিক সম্মেলন করে মন্ত্রী উমেশ বলেন, "পুলিশ একটাকে ধরেছে। আমার কাছে কিছু ইনপুট আছে যা আমি পুলিশকে জানিয়েছি। বলেছি যে আমার এলাকায় কিছু লোক আছে যারা বিদেশি লোকেদের সঙ্গে কাজ করে। তাদের জন্য কাজ করে। না হলে হঠাৎ করে একটা লোকের কাছে এত পয়সা আসে কোথা থেকে? এত অস্ত্রশস্ত্র আসে কোথা থেকে? আমি পুলিশকে বলব কিছু লোকের ওপর আমাদের সন্দেহ আছে, যাঁদের বাড়ি সার্চ করলে অনেক আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যাবে।" উমেশ বলেন, "বেশি চিন্তার বিষয় হল মূল মাথা পাকিস্তানে আছে। সে পাকিস্তান থেকে টাকার বিনিময়ে আমাদের এখানকার যুবক যুবতীদের কিনে নিচ্ছে। গতকাল জানতে পেরেছি বেলিলিয়াস রোডের ফ্ল্যাট থেকে আদিত্য সিং খুব গরিব ঘরের ছেলে। অথচ খবর পেয়েছি তার অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ টাকা আছে।"
মন্ত্রীর প্রশ্ন, শুধু এই টাকার জন্য দেশের সুরক্ষা বিক্রি করে দেব? মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধি বিক্রি করে দেব? তিনি বলেন, "বর্তমান সমাজে এই সব লোক আছে বলেই চিন্তার কারণ আছে। আমাদের সচেতন থাকার দরকার আছে বিশেষ করে জেন-জিদের। যাঁরা ইস্টাগ্রাম ফেসবুক ফলো করে। সেখানে শাসকদলের বিরুদ্ধে কথা বলছে বা লিখছে কি না তা নজর রেখে তাদের ফাঁদে ফেলছে পাকিস্তানি জঙ্গিরা।" এ দিকে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রয়োজনে মন্ত্রী উমেশ রাইয়ের নিরাপত্তা বাড়ানো হবে। উমেশ বলেন, "আমার নিরাপত্তার থেকেও পুলিশ হাওড়া শহরের অলিগলির ভিতর বিশেষভাবে নজর দিক। যাতে হামিম মণ্ডলের মতো কেউ আর না থাকে।"
