জম্মু কাশ্মীর ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। আর তার জেরে জানুয়ারিতেই শীতঘুমে শীত। ভারী সোয়েটার, জ্যাকেট গায়ে চাপিয়ে ঘোরার দিন প্রায় শেষ। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আর শীত ফেরার কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে তাপমাত্রার ওঠাপড়া লেগেই থাকবে।
কলকাতায় হালকা কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে। কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদিয়ায়। কলকাতা-সহ বাকি জেলায় হালকা কুয়াশার সম্ভাবনা। বেলা বাড়লেই পরিষ্কার আকাশ। দেখা মিলতে পারে রোদের। দিনের বেলায় গায়েব শীত। সকাল ও সন্ধ্যায় শীতের হালকা অনুভূতি। শুক্রবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বৃহস্পতিবার বিকেলে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৪৪ থেকে ৯২ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা থাকবে ১৭ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। সপ্তাহান্তে রবিবারের মধ্যে সামান্য কমতে পারে তাপমাত্রা। এক-দু'ডিগ্রি তাপমাত্রা ওঠানামা করবে বলেই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের।
উত্তরবঙ্গে ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। শনিবার দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে। বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। আগামী পাঁচদিন দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে। বাংলায় শীত শীতঘুমে গেলেও রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর পশ্চিম ভারতের সমতলের রাজ্যগুলিতে শৈত্যপ্রবাহ কামড় বসাতে পারে। এছাড়া দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, চণ্ডীগড়, হরিয়ানা, বিহার, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও সিকিমে ঘন কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে।
