বাবুল হক, মালদহ: বিয়ের সময়ে চার লক্ষ টাকা পণ দিতে হয়েছিল পাত্রীর পরিবারকে। বিয়ের পর চার বছর পেরিয়ে গিয়েছে। এখন ফের স্বামী দু-লক্ষ টাকা দাবি করছে বলে অভিযোগ। টাকা আনতে রাজি না হওয়ার বেধড়ক মেরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করলেন এক ব্যক্তি! প্রতিবেশীদের তৎপরতায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ওই গৃহবধূ। হাসপাতালে ভরতি তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের চাঁচলে। স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই মহিলার বাপের বাড়ির লোকেরা। অভিযুক্ত পলাতক।
আক্রান্ত ওই গৃহবধূর নাম ফারহানা নাসরিন। বছর পাঁচেক আগে মালদহের চাঁচোলের হাটখোলার বাসিন্দা সাইন আহমেদের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। সাইন ও নাসরিনের ছেলের বয়স তিন বছর। ওই গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকেদের দাবি, বিয়ের সময় ৪ লক্ষ টাকা পণ দিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু, বাপের বাড়ি থেকে আরও ২ লক্ষ এনে দেওয়ার জন্য স্ত্রীকে চাপ দিচ্ছিল সাইন। কিন্তু, টাকা এনে দিতে রাজি হননি নাসরিন। বাপের বাড়ির লোকেদের বক্তব্য, মঙ্গলবার রাতে নাসরিনকে বেধড়ক মারধর করে সাইন। এমনকী, গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করে সে। কিন্তু, ঘটনাটি প্রতিবেশীদের নজরে পড়ে যাওয়ার প্রাণে বেঁচে যান আক্রান্ত গৃহবধূ। বেধড়ক মারে গুরুতর আহত ফারহানাকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় চাঁচোল মহকুমা হাসপাতালে। পরে স্থানান্তরিত করা হয় মালদহ জেলা হাসপাতালে। এদিকে ফারহানা নাসরিনের স্বামী সাইন আহমেদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন তাঁর বাপের বাড়ির লোকেরা। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। এখনও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। সে পলাতক।
[OMG! বুকে বন্দুক ঠেকিয়ে স্বামীর দুই কান কেটে নিলেন মহিলা!]
The post পণের দাবিতে পুড়িয়ে মারা চেষ্টা স্বামীর, প্রতিবেশীদের তৎপরতায় রক্ষা পেলেন গৃহবধূ appeared first on Sangbad Pratidin.
