shono
Advertisement

গন্ধ শুঁকেই রং বলে দিচ্ছে কেতুগ্রামের এই ‘বিস্ময়’ বালিকা

বিজ্ঞানমঞ্চের দাবি, এটা ধোঁকা দেওয়ার একটি কৌশলমাত্র। The post গন্ধ শুঁকেই রং বলে দিচ্ছে কেতুগ্রামের এই ‘বিস্ময়’ বালিকা appeared first on Sangbad Pratidin.
Posted: 10:01 AM Jun 02, 2018Updated: 10:16 AM Jun 02, 2018

ধীমান রায়, কাটোয়া: চোখ বন্ধ করেই কোনও জিনিস হাতে নিয়ে তার গন্ধ শুঁকে রং বলে দিচ্ছে। অথবা বইয়ের ওপরে লেখায় আঙুল বুলিয়ে বলে দিচ্ছে পাতায় কী লেখা রয়েছে। আর আট বছরের শিশুর এই কীর্তি দেখে হকচকিয়ে যাচ্ছেন সকলেই। কেতুগ্রামের কুমোরপুরের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী শ্রেয়া পালের এই কাণ্ড দেখে বিস্মিত এলাকাবাসী। সকলেই অবাক হয়ে যাচ্ছেন। এ যেন ম্যাজিক। যদিও শ্রেয়ার প্রশিক্ষকের দাবি বিশেষ অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে সক্রিয় করলেই এই অসাধ্যসাধন করা যায়। যদিও তা মানতে নারাজ বিজ্ঞানমঞ্চ। বিজ্ঞানমঞ্চের দাবি এটা কাউকে ধোঁকা দেওয়ার একটা কৌশলমাত্র।

Advertisement

[‘১’ টিপতেই ফোন হ্যাক, মোবাইলে আধার লিংকের নামে প্রতারণা]

কেতুগ্রামের কুমোরপুরের বাসিন্দা জীবনজ্যোতি পাল ও ভবানীদেবীর একমাত্র সন্তান শ্রেয়া। কুমোরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। জীবনজ্যোতিবাবু একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন। ভবানীদেবী স্থানীয় একটি বেসরকারি স্কুলে পড়ান। তাদের মেয়ে শ্রেয়াই এখন এলাকায় চর্চার বিষয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকমাস ধরে শ্রেয়া রপ্ত করে ফেলেছে বিশেষ দক্ষতা। যেমন তার চোখ বেঁধে দিয়ে হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে দু’টি রঙিন বল। কোন বলটির কী রং, নাকে গন্ধ শুঁকে বলে দিচ্ছে। আবার কখনও কোনও বস্তুকে একটু আঘাত করে আওয়াজ শোনালে চোখ বাঁধা অবস্থাতেই শ্রেয়া বলে দিচ্ছে সেটি কী। তা দেখে তাজ্জব অনেকেই। ভবানীদেবী বলেন, “বছর দেড়েক আগে একটি অনুষ্ঠানে মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে এক ব্যক্তি চোখ বাঁধা অবস্থাতে এমনই সবকিছু বলে দিচ্ছিলেন। সেই দেখে আমার মেয়েরও ইচ্ছা হয় ওই বিদ্যা সে শিখবে। তারপর স্থানীয় একটি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করি। যেখানে এই দক্ষতার পাঠ দেওয়া হয়।”

শ্রেয়ার প্রশিক্ষক সম্রাট মিত্রর কথায়, এই ক্ষমতা অর্জন করতে হলে নিরামিষ ভোজন, প্রাণায়ম ইত্যাদি কিছু রীতি মেনে চলতে হয়। সেই সঙ্গে শিশুবেলা থেকেই শিখতে হয়। অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সজাগ হলে তবেই সম্ভব হয়।’ যদিও সম্রাটবাবুর এই দাবি নস্যাৎ করে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞানমঞ্চের কাটোয়া শাখার সম্পাদক দেবব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, “ওসব ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের কিছু ভূমিকা নেই। এটা একধরনের কৌশল। চোখ বন্ধ করে আদৌ বলা সম্ভব নয়। পাশের কেউ নিশ্চয় সাংকেতিক কিছু বলে বাচ্ছাটিকে উত্তর বলে দিচ্ছেন। তারপর সে সঠিক উত্তর বলতে পারছে।

ছবি:জয়ন্ত দাস

 

[হাওড়া স্টেশনে দালালের খপ্পরে খোদ রেলকর্তা, দৌরাত্ম্যে তিতিবিরক্ত যাত্রীরা]

The post গন্ধ শুঁকেই রং বলে দিচ্ছে কেতুগ্রামের এই ‘বিস্ময়’ বালিকা appeared first on Sangbad Pratidin.

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার