৭ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন যুবক। রবিবার উদ্ধার হল তাঁর পচাগলা মৃতদেহ। মৃতের নাম বুদ্ধদেব মাজি। পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন তিনি! সেজন্য কি খুন হতে হল তাঁকে? সেই প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামে।
জানা গিয়েছে, কেতুগ্রামের নিরোদ গ্রামে ওই যুবকের বাড়ি। বছর কয়েক আগে বনিবনা না হওয়ার জন্য স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। ৩৯ বছর বয়সী বুদ্ধদেব এলাকারই এক বিবাহিতার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। জানা গিয়েছে ওই মহিলার স্বামী পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে ভিনরাজ্যে কর্মরত। ওই মহিলার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক প্রকাশে এসে গিয়েছিল। সেজন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদও চলে। ওই ঘটনা থানা-পুলিশ অবধি চলে যায়।
৩৯ বছর বয়সী বুদ্ধদেব এলাকারই এক বিবাহিতার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। জানা গিয়েছে ওই মহিলার স্বামী পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে ভিনরাজ্যে কর্মরত। ওই মহিলার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক প্রকাশে এসে গিয়েছিল।
সেসময় ওই মহিলা বুদ্ধদেবের সঙ্গে থাকার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। শুধু তাই নয়, মাস তিনেক আগে, স্বামীর ঘর ছেড়ে বুদ্ধদেবের বাড়িতে থাকতে শুরু করেন ওই মহিলা। সেই নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে অশান্তিও চলছিল। দিন সাতেক আগে বাড়ি থেকে বেরিয়ে বুদ্ধদেব নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন! একাধিক জায়গায় খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান মেলেনি। কেতুগ্রাম থানায় নিখোঁজের অভিযোগও দায়ের হয়।
আজ, রবিবার সকালে ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে নয়ানজুলিতে ওই যুবকের পচাগলা লাশ উদ্ধার হয়। কেতুগ্রাম থানার পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। মৃতের বাড়ির লোকেদের অভিযোগ, বুদ্ধদেবকে খুন করা হয়েছে। দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবিও তোলা হয়েছে। ঘটনায় আতঙ্ক, চাপা গুঞ্জন ছড়িয়েছে এলাকায়।
