নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বহু বছর পর বাংলাদেশের ক্ষমতায় এসেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নয়া প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান। সোমবার অথবা মঙ্গলবার গঠন হতে পারে নতুন সরকার। কিন্তু বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভা কেমন হবে? কে কে ঠাঁই পেতে পারেন সেখানে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে।
বিএনপি-র একটি সূত্রের খবর, বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞতার পাশাপাশি জোর দেওয়া হবে তারুণ্যে। বয়োজ্যেষ্ঠ অনেক নেতাকেই মন্ত্রিসভায় না-ও দেখা যেতে পারে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই মৌলবাদের আগুনে জ্বলছে বাংলাদেশ। সংখ্যালঘুদের উপর চলছে অত্যাচার। এই পরিস্থিতিতে তারেক সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলাদেশে অপ্রীতিকর ঘটনা, বিশৃঙ্খলা মেনে নেওয়া হবে না। ধর্মের নামে উন্মাদনাকে বরদাস্ত করা হবে না। সূত্রের খবর, সংখ্যালঘুদের মন জিততে প্রথম থেকেই কৌশলি বিএনপি। তাই নতুন মন্ত্রিসভায় বড় দায়িত্বে থাকছেন অনেক সংখ্যালঘুরাও।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপি-র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা করা হতে পারে। প্রসঙ্গত, খালেদার জানাজায় দলের পক্ষ থেকে তিনি বক্তব্য রেখেছিলেন। এবার বিএনপি-র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কও ছিলেন তিনি। তাই মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকতে পারেন নজরুল। এছড়াও জ্যেষ্ঠ এবং অভিজ্ঞ নেতাদের মধ্যে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নামও আলোচনায় রয়েছে। এছড়াও মন্ত্রিসভার নতুন মুখ হতে পারেন বিএনপির-র স্থায়ী কমিটির সদস্য জাহিদ হোসেন ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল। এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত।
জানা গিয়েছে, মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হবে মহিলাদেরও। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং মানিকগঞ্জ, সিলেট ও ফরিদপুর অঞ্চলের সংসদ সদস্যদের মধ্যেও একাধিক জনকে নতুন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেওয়া হবে বলে খবর। নতুন মন্ত্রিসভায় ১০ থেকে ১৫ তরুণ মুখকে দেখা যেতে পারে। তাঁদের মধ্যে পঞ্চগড়, সিলেট, নোয়াখালী, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, ঝিনাইদহ, নেত্রকোনা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে।
