রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্য়ায়: লোকসভা নির্বাচনে পাহাড়ে বিমল গুরুংকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে রাজ্য বিজেপি। রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হিসাবে পাহাড়ে আবার গুরুংকে দেখা যেতে পারে বলে আশাবাদী বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

পাহাড়ে কি রাজনৈতিকভাবে আবার গুরুংকে দেখা যেতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “হতে পারে। যেহেতু নির্বাচন কমিশন এসে গিয়েছে। আইনিভাবে হয়তো রাস্তা বেরবে। জামিনও পেতে পারেন। অন্য কোনওভাবেও আসতে পারেন। উনি (গুরুং) এলে পাহাড়ের বাতাবরণ আবার বদলে যাবে।” বিজেপির রাজ্য সভাপতির এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, তাহলে পাহাড়ে কি আবার সক্রিয়ভাবে দেখা যেতে পারে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রাক্তন সুপ্রিমোকে? এই জল্পনা অবশ্য শনিবার উস্কে দিয়েছেন দিলীপ ঘোষই। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিমল গুরুং বিজেপিতে যোগদান করবেন কি না তা জানা নেই। তবে গুরুং বিজেপির সঙ্গেই আছেন। দলের মতাদর্শের কাছাকাছিই আছেন। বিজেপিও তাকে সহযোগিতা করেছে। করছেও। জোট সঙ্গী হিসাবে বিমল গুরুং পদ্ম শিবিরের সঙ্গেই আছেন বলে এদিন সাফ জানিয়ে দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। পাহাড়ে এখন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার ব্যাটন বিনয় তামাংদের হাতে। বিমল গুরুং, রোশন গিরিরা অন্তরালে। মোর্চার কর্মী-সমর্থকরা এখন তাদের নেতা হিসাবে বিনয় তামাংদেরই মানছে।
এবার লোকসভা নির্বাচনে দার্জিলিংয়ে তৃণমূল প্রার্থী করেছে মোর্চার বর্তমান বিধায়ক অমর সিং রাইকে। পাহাড়ে গুরুংদের জনসমর্থন নেই বলে অবশ্য মানতে নারাজ বিজেপি। দিলীপ ঘোষের দাবি, পাহাড়ের নেতা গুরুংই। আইনি কারণে তাঁকে বাইরে রাখা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে। জামিন পেলেই তিনি আসবেন। সবই রাজনৈতিক মামলা হয়েছে গুরুংয়ের নামে। এখনও গুরুং পাহাড়ের নেতা। সেখানকার সাধারণ জনতাও বিজেপির সঙ্গে রয়েছে। এবারও লোকসভা ভোটে পাহাড়ে বিজেপি প্রার্থী যথেষ্ট লিড পাবে। পাহাড়ে তাড়াতাড়ি রাজনৈতিক পরিবর্তন হচ্ছে। সমতলের বহু গোর্খা বিজেপির সঙ্গে আছেন বলে দাবি করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এদিকে, ধর্মতলায় তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের ধরনা কর্মসূচির পালটা শ্যামবাজারে ১৮ মার্চ ধরনায় বসছে বিজেপির মহিলা মোর্চা। লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি হবে।
The post ভোটের আগেই পাহাড়ে বিমল গুরুংকে ফেরানোর চেষ্টা বিজেপির appeared first on Sangbad Pratidin.