বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী অদিতি রাও হায়দারি। সঞ্জয়লীলা বনসালী পরিচালিত ‘হীরামান্ডি: দ্য ডায়মন্ড বাজার’-এ বিব্বোজানের চরিত্রে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন অদিতি। রাজকীয় সাজে অদিতির রূপের স্নিগ্ধতা মুগ্ধ করেছিল দর্শককে। সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অদিতি জানিয়েছেন, একটা সময় শুনতে হয়েছে তাঁর মুখের গড়ন নাকি বিড়ালের মতো! আর তারকা স্বামী সিদ্ধার্থ তো বলেন, প্রিয়তমাকে দেখতে মোটেই বিড়ালের মতো নয়, বরং গোল্ডেন রিট্রিভারের মতো!
হঠাৎ অদিতির মতো একজন 'সুন্দরী' অভিনেত্রীকে এমন 'কমপ্লিমেন্ট'! সেই কারণ অবশ্য নিজেই বাতলে দিয়েছেন সিদ্ধার্থ ঘরনি। আসলে অদিতি প্রচণ্ড পশুপ্রেমী, বলা ভালো বিড়ালপ্রেমী। পরিবারে রয়েছে দুই পার্সিয়ান বিড়াল ইগি ও অলি। অদিতি-সিদ্ধার্থের সংসারে তারাই 'বস'। মাতৃদিবসে 'ক্যাট মম' হওয়ার অভিজ্ঞতা ভাগ করার সঙ্গে জীবনের শিক্ষণীয় বিষয়গুলো নিয়েও কথা বলেন অভিনেত্রী। পোষ্যদের ছেড়ে বাইরে কাজে গেলে অপরাধবোধ কাজ করে। অদিতি একটি প্রিমিয়াম ক্যাট ফুড ব্র্যান্ডের সঙ্গেও যুক্ত। বাড়িতে যেটুকু সময় তাঁরা থাকেন পোষ্যদের ঘিরেই সময় কেটে যায়।
শৈশবের স্মৃতিচারণ করে আবেগে ভেসে অদিতি বলেন, "ছোটবেলায় আমাদের একটা বিড়াল ছিল। ওর নাম ছিল সুফি। সবাই বলত আমরা নাকি দুই বোনের মতো দেখতে।" আরও যোগ করেন, "অনেকে বলে আমার মুখের গড়নও নাকি বিড়ালের মতো।" সেই সাক্ষাৎকারে অদিতি জানান, সিদ্ধার্থ একেবারেই সহমত নন। অদিতির মুখের গড়ন মোটেই বিড়ালের মতো নয়, বরং এই দক্ষিণী সুন্দরীর মুখের সঙ্গে গোল্ডেন রিট্রিভারের মিল পান অভিনেত্রীর স্বামী!
উল্লেখ্য, ঘরোয়া খুনসুটির মুহূর্তই সকলের সঙ্গে শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। কেন বিড়ালদের সঙ্গে এত গভীর সংযোগ অদিতির? তাঁর মতে, পোষ্যরা মানুষের অনুভূতি খুব সহজেই বুঝতে পারে। তাই তিনি চেষ্টা করেন কাজের চাপ বা বিনোদন জগতের বিশৃঙ্খলা বাড়িতে থেকে দূরে রাখতে। অদিতির সংযোজন, "বিড়ালের ভালোবাসা অর্জন করতে হয়। ওরা হুট করে এসে কখনও বিরক্ত করে না। এই ব্যাপারটাই আমার অসাধারণ লাগে আর এখান থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।"
