তিনি দাপুটে অভিনেত্রী। পর্দায় তাঁর পারফরম্যান্সে তাক লেগে যায় দর্শকদের। কিন্তু মঞ্চে সঞ্চালনে করতে গেলেই কেন যেন তাঁর তাল কেটে যায়। যার অন্যথা হল না স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডসের অনুষ্ঠানে। সদ্য সেই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করতে গিয়ে রীতিমতো 'নার্ভাস' হয়ে পড়তে দেখা গেল তাঁকে। অথচ মঞ্চে থাকা সুনীল গ্রোভার, জাকির খান, সৌরভ দ্বিবেদীরা দিব্যি মনোরঞ্জন করলেন। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আলিয়ার কেন এই 'হাঁড়ির হাল'?
আলিয়ার একটি ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। সেখানে ২০১৯ থেকে ২০২৬ কতটা বদলেছে সেকথা বোঝাতে একটি জোক বলতে শোনা যায় তাঁকে। অভিনেত্রী বলেন, ''২০১৯ সালে মোহিত সুরির ছবি দেখতে গিয়েছিলাম। আবার ২০২৬ সালেও আমি ওঁর ছবি দেখেছি (সাইয়ারা)।'' এই সব কথা বলার সময় আলিয়ার শরীরী ভাষা থেকেই প্রকট হচ্ছিল অস্বস্তি। ক্যামেরা এই সময় অনু মালিক ও অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিদের মুখে প্যান করা হলে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল, কেউই আলিয়ার সঞ্চালনা উপভোগ করছেন না।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করতে গিয়ে রীতিমতো 'নার্ভাস' হয়ে পড়তে দেখা গেল আলিয়াকে। অথচ মঞ্চে থাকা সুনীল গ্রোভার, জাকির খান, সৌরভ দ্বিবেদীরা দিব্যি মনোরঞ্জন করলেন। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আলিয়ার কেন এই 'হাঁড়ির হাল'?
এরপরই বহু নেটিজেন ট্রোল করা শুরু করে আলিয়া। একজন লেখেন, ''এতগুলো সিনেমা করা হয়ে গিয়েছে, অথচ একটা স্টেজ সামলাতে পারছেন না! নেপো প্রোডাক্ট হলে যা হয়... করণ জোহর, এটা কী হচ্ছে?'' অবশ্য বিরুদ্ধমতও রয়েছে। অনেকে বিরোধিতা করেছেন এই ধরনের সমালোচনার। তাঁদের মতে, কাউকে ব্যাঙ্গ করা সহজ। কিন্তু তাঁর সাফল্যকে ছোঁয়া কঠিন। আবার অনেকের মতে, আলিয়াকে স্পষ্টতই ক্লান্ত দেখাচ্ছে। তাঁর উচিত ক'দিন ব্রেক নেওয়া। এবং সেক্ষেত্রে দর্শকরাও নতুন করে তাঁকে আবিষ্কার করতে পারবেন। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের শেষভাগ কিংবা ২০২৭-এর শুরুর দিনে মুক্তি পেতে পারে সঞ্জয় লীলা বনসালির 'লাভ অ্যান্ড ওয়ার'। এই ছবিতেই আলিয়াকে ফের দেখা যাবে রুপোলি পর্দায়।
